× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার

ঋণখেলাপিদের ছবি ছাপিয়ে প্রকাশের আহ্বান

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৫ জুন ২০১৯, শনিবার, ৯:১৭

ব্যাংক খাতে সরকার উদ্যোগে মূলধন জোগান দেয়ার বদলে দু-একটি ব্যাংককে মরে যেতে দেয়ার পক্ষে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সভাপতি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারি ব্যাংকে সরকার নিয়মিত মূলধন জোগান দিচ্ছে। এমনকি বেসরকারি ব্যাংককেও উদ্ধার করা হচ্ছে। এটা ভালো উদাহরণ তৈরি করছে না। এতে অনেকে মনে করতে পারেন, খারাপ করলে অসুবিধা কি, সরকারতো আছেই। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের উদ্দেশে মাহবুবুর রহমান বলেন, দু-একটাকে দেউলিয়া হতে দিন না।

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) ও দ্য ডেইলি স্টার আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে মাহবুবুর রহমান এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ব্যাংক খাত নিয়ে কথা রাখেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর, ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবুল কাসেম খান ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক পরিচালক রকিবুর রহমান। রাজধানীর ফার্মগেটে ডেইলি স্টার ভবনে এ এই আয়োজনে ঋণখেলাপিদের ছবি ছাপিয়ে দেয়ার পরামর্শও আসে।
এতে আইসিএবির সভাপতি এ এফ নেসারউদ্দিন, সাবেক সভাপতি হুমায়ুন কবির, বিআইডিএসের জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো নাজনীন আহমেদ বক্তব্য দেন। এতে বাজেট নিয়ে দুটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন আইসিএবির কাউন্সিল সদস্য শাহাদাত হোসেন ও স্নেহাশীষ বড়ুয়া।
মাহবুবুর রহমান বলেন, বাজেটে ব্যাংক কমিশন গঠন নিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল যে উদ্যোগের কথা বলেছেন সেটা ভালো।
তবে বাংলাদেশে কমিশন হলেও কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয় না। কমিশনে কাদের নিয়োগ দেয়া হবে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, খেলাপি ঋণ নিয়ে যেসব নিয়মকানুন করা হচ্ছে, সেটা তাৎক্ষণিক কাগজে-কলমে কিছু সুফল মিলতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী সুফল পেতে হলে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থঋণ সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে হাইকোর্টে আলাদা বেঞ্চ করতে হবে।

আবুল কাসেম খানের বক্তব্যের সূত্র ধরে মাহবুবুর রহমান ঋণখেলাপিদের ছবি ছাপিয়ে দেয়ার পরামর্শ দেন। নেপাল ও চীনের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সেখানে ঋণখেলাপিদের বিদেশে যেতে দেয়া হয় না। দ্রুত গতির ট্রেনে চড়তে দেয়া হয় না। বাংলাদেশেও এমন কিছু ব্যবস্থা নেয়া যায়।

ব্যাংক সুদের হার হুকুম দিয়ে কমানো যায় না উল্লেখ করে মাহবুবুর রহমান বলেন, কেনিয়া এটা করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। এর আগে অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানও করতে গিয়ে পারেননি। তিনি বলেন, যখন কেউ দোষ করে, তখন তাকে সাজা না দিয়ে সবাইকে শাস্তি দেয়া ঠিক নয়। এর আগে আবুল কাসেম খান বলেন, এভাবে আর কতকাল রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংক ও কারখানায় টাকা দিয়ে যাবেন। তাদের বন্ধ করে দিন। তিনি বলেন, ব্যাংকে এখন তারল্য সংকট চলছে। সরকার ৪৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলে বেসরকারি খাত ঋণ কোথায় পাবে?

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, ১:২৬

একি বলেন ভাই। সম্মানিত ঋণ খেলাপিদের ছবি প্রকাশ ! নাম প্রকাশ করাও যাবে না। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর উক্তি ভুলে গেলেন নাম বলা যাবে না । এরা সমাজপতি গণ্যমান্য ব্যক্তি।

অন্যান্য খবর