× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার

ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, ৯:২৩

 রাজধানীতে ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। গতকাল সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ‘নাগরিক তথ্য সংগ্রহ সপ্তাহ, ২০১৯’ উদ্বোধন করে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (সিআইএমএস) মাধ্যমে ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে। কিন্তু ইদানীং আমরা লক্ষ্য করছি, তথ্য সংগ্রহের কাজটি ঢিলা হয়ে গেছে। অনেক ভাড়াটিয়া বা নাগরিকরা এখন তথ্য দিচ্ছেন না। পুলিশের মাঝেও একটা ঢিলেঢালা ভাব লক্ষ্য করছি। যে কারণে সম্প্রতি আমরা আবার সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের হুমকি অনুভব করছি। এমন প্রেক্ষাপটে আবারো নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করছি। আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ইতিমধ্যে নন অফিশিয়ালি আমরা ২০১৫ সালের শেষ দিক থেকে নাগরিকদের তথ্য ফরম সংগ্রহের কাজ শুরু করি।
আর অফিশিয়ালি এই কাজটি আমরা শুরু করি ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে। আমরা ২২ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করেছি। যেখানে প্রায় ৬৩ লাখ নাগরিকের তথ্য রয়েছে। এই তথ্য ফরমগুলো সংগ্রহ করে আমরা একটি অত্যন্ত কার্যকর সফটওয়্যার তৈরি করি, যেটির নাম ‘সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমস’। তিনি বলেন, এই সিস্টেমে আমরা যেসব তথ্য পাবো সেসব তথ্য অপরাধ দমন, প্রতিকার, উদঘাটন এবং নাগরিক  নিরাপত্তার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে আমরা বলতে পারব। আপনারা দেখেছেন পহেলা জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর পর ঢাকা মহানগরীতে কোনো জঙ্গি অপতৎপরতা হয়নি, এর কারণ হলো নাম-ঠিকানা গোপন করে কেউ ঢাকা মহানগরীতে কোনো সন্ত্রাসী-জঙ্গি বাসা ভাড়া নিতে পারেনি। কারণ, বাসা ভাড়া নিতে গেলেই তাকে নাগরিক তথ্য ফরম পূরণ করতে হয়, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দিতে হয় এবং ছবি দিতে হয়। এসব কারণে তারা নিজেদের হাইড করতে পারেনি। বাইরের অন্যান্য শহরগুলোতে ঢাকার অনুকরণে এই তথ্য ফরম সংগ্রহের কাজটি শুরু হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের মতো একটি সুদৃঢ় ও টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গঠনের জন্য আমাদের এই নগরের প্রাথমিক ডাটাবেস ভীষণ জরুরি। ডিএমপি কমিশনার বলেন, নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের জন্য আদালতের একটি নির্দেশনা ছিল,  নাগরিকদের নিরাপত্তা বা অপরাধ দমনের জন্য ডিএমপি এই তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষরণ করতে পারবে। কিন্তু শর্ত হলো নাগরিকের তথ্য গোপন রাখতে হবে। আমরা আদালতের সেই নির্দেশনা মেনে চলছি। গত তিন বছরে কোনো নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার হয়নি।
আর এটি যাতে না হয় সেদিকে আমাদের পর্যাপ্ত গুরুত্ব আছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর