× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার

ডিআইজি মিজানকে দুদক কেন গ্রেপ্তার করতে পারছে না: সুপ্রিম কোর্ট

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, ৪:৪৫

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে ‍ঘুষ লেনদেনের কথা স্বীকার করার পরও পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে দুদক কেন গ্রেপ্তার করতে পারছে না, তা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

ঋণ কেলেঙ্কারির মামলায় বহুল আলোচিত হলমার্কের চেয়ারপারসন জেসমিন ইসলামের জামিনের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানিতে রোববার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ দুদকের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।    

আদালতে লিভ টু আপিলের পক্ষে শুনানি করেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। জেসমিন ইসলামের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও আবদুল মতিন খসরু।

এক নারীকে জোর করে বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগের ঘটনায় আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্ত চালাচ্ছে দুদক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুদকের পরিচালক এনামুল বাছিরের সঙ্গে সম্প্রতি ঘুষ লেনদেনের তথ্য ফাঁস করে আবারো আলোচনায় আসেন ডিআইজি মিজান।

রোববার শুনানির পর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, শুনানির অবস্থায় আদালত বেশ কিছু প্রশ্ন রেখেছেন আমার কাছে। বলেছেন, আপনাদের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। এটা তো এলার্মিং দেশের জন্য। আমি বলেছি, তার বিরুদ্ধে পিউনিটিভ অ্যাকশন (শাস্তিমূলক ব্যবস্থা) নেওয়া হয়েছে। তখন আদালত বলেছেন, কিসের পিউনিটিভ অ্যাকশন নিয়েছেন? আপনি শৃঙ্খলা ভঙ্গ আর তথ্য পাচারের জন্য পিউনিটিভ অ্যাকশন নিয়েছেন? ঘুষের কোনো অ্যালিগেশন আপনি নেননি, অ্যাকশন নেননি।

কোনো কিছু করেননি। দুদকের আইনজীবী বলেন, আমি বলেছি, ঘুষের জন্য অ্যাকশন নিতে হলে আমাকে একটু অনুসন্ধান করতে হবে। অনুসন্ধান করে আমাকে এফআইআর দায়ের করতে হবে। আইনের বাইরে তো আমি কোনো কিছু করতে পারব না। তখন আদালত বলেন, ডিআইজি মিজান কি দুদকের চাইতে বড়? তাকে তো আপনি অ্যারেস্ট করতে পারছেন না। এই মামলায় তাকে কেন অ্যারেস্ট করছেন না?

জবাবে বলেছি, আমার যে লোক আমি তাকে সাসপেন্ড করেছি। আর যে মামলায় তার অ্যারেস্ট হওয়ার কথা সে মামলাতে অলরেডি চার্জশিট মেমো অব অ্যাভিডেন্স দেওয়া হয়েছে এবং যিনি তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে নিয়ে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে দুদক একটা অ্যাকশন নিয়েছে। এই তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। নতুন একজন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সে নতুন করে কাজ শুরু করেছে। বিষয়টি অত্যন্ত আইনানুগভাবে গুরুত্বসহকারে দুদক দেখছে। কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না।

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর দুদক কর্মকর্তা খোন্দকার এনামুল বাছিরকে নিয়ে যেমন দুদক তদন্ত শুরু করেছে, তেমনি ডিআইজি মিজানুর রহমানকে নিয়েও তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

দুদক কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়া এবং তদন্তাধীন বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া সংবাদ মাধ্যমে কথা বলার ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। দুদক কর্মকর্তা খন্দকার এনামুল বাছিরের ‘চাপের পর’ তাকে ‘ফাঁদে ফেলতে’ অপরাধ জেনেও ‍ঘুষ লেনদেনের কাজটি করেছেন বলে দাবি করেছেনে ডিআইজি মিজান। যে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে দেওয়ার দাবি তিনি করেছেন, তার হিসাবও দুদককে দেওয়ার জন্য তৈরি আছেন বলে জানান তিনি। নানা ঘটনায় আলোচিত ও বিতর্কিত এই পুলিশ কর্মকর্তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান চালাচ্ছিলেন দুদকের পরিচালক এনামুল বাছির।

ডিআইজি মিজান গত ৯ জুন একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে বলেন, তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা বাছির। এর সপক্ষে তাদের কথপোকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপও টেলিভিশনকে দেন তিনি, যা প্রচারও হয়। অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে দুদক। তবে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ একই সঙ্গে বলেছেন, ঘুষ দেওয়াও ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মোঃ শফিক মিয়া আফিয়ান
১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, ১:০৩

পুলিশের এত বড় একজন কর্মকর্তাকে কি একজন সাধারণ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার করতে পারে?এরকম হলে তো পুলিশ বাহিনীর আর মানসম্মান রহিল কই? তাই পুলিশের এই কর্তস ব্যক্তিকে বাঁচাতে যা যা করা দরকার তাই করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

রিপন
১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, ১০:৩০

দুদক দমন কমিশন গঠন করিয়া স্বাধীন সার্বভৌম বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করিয়া ফেলিতে পারিলে, মহামান্য আদালত এবম্প্রকার হরেক কিসিমের "কেন"-র যথাযথ জওয়াব পাইয়া যাইবেন বলিয়াই এই অধম অর্বাচীনের দৃঢ় প্রতীতি।

Kazi
১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, ৫:৫১

Word of mouth is not a proof of payment of bribes. It need proof of transaction if cash photo of handing over money or black and white transactions if paid through bank. Mizan may be lying.

Kazi
১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, ৫:৪২

Because department didn't suspend him, and he still dress with designated dress.

অন্যান্য খবর