× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার

ভাঙ্গুড়ায় নিম্নমানের সড়ক নির্মাণ কাজ বন্ধ করলো এলাকাবাসী

বাংলারজমিন

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি | ১৭ জুন ২০১৯, সোমবার, ৯:২৬

পায়ের গুঁতায় ভেঙে যাচ্ছে ইট তা দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে পাকা সড়ক। পাবনার ভাঙ্গুড়া সদর উপজেলার চর-ভাঙ্গুড়ায় এলজিইডির নির্মাণাধীন সড়কে দেখা গেছে এই চিত্র। রান্নার চুলার পোড়ামাটিও এর চেয়ে শক্ত। এলজিইডির প্রকৌশলীদের অনুপস্থিতি নিশ্চিত করে এমনই নিম্নমানের ইট, খোয়া ব্যবহার করে কাজ করা হচ্ছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, এলজিইডির কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এই ধরনের মানহীন ইট খোয়া দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করছে। এই কাজ আমরা মেনে নেবো না। এলাকাবাসী মিলে আমরা গত শনিবার কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। এই বাজে খোয়া অপসারণ করে মানসম্মত ইট খোয়ার ব্যবহার নিশ্চিত করেই কাজ করতে দেবো।
তারপর সড়কের পাশের তিন ফুট জায়গা মাটি দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরভাঙ্গুড়া গ্রামের পূর্ব পাড়ায় ৮শ’ মিটার সড়ক নির্মাণ কাজের দরপত্র আহ্বান করে উপজেলা প্রকৌশল অফিস। পাবনা শহরের হাচেন আলী নামে একজন ঠিকাদার সড়ক নির্মাণ কাজটি পেয়ে একই শহরের মিঠু মালিথার কাছে বিক্রি করে দেন। তবে কাজের বিষয়ে অফিসের সঙ্গে হাচেন আলী নিজেই যোগাযোগ রাখেন। জানা যায়, সাব ঠিকাদার মিঠু মালিথা অতিরিক্ত মূল্যে কাজটি কিনে নিয়েছেন এবং তাই আর্থিক দিকটা পুষিয়ে নিতে নিম্নমানের ইট, খোয়া ও বালু দিয়ে সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এলাকাবাসী বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশল অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের কাছে অভিযোগ করেন। কিন্তু প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান নিম্নমানের সামগ্রী না সরিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। এতে বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী স্থানীয় রাজনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ দেন। এতেও নিম্নমানের সামগ্রী দিয়েই কাজ চলতে থাকলে চরভাঙ্গুড়া গ্রামের বাসিন্দারা একজোট হয়ে শনিবার কাজ বন্ধ করে দেয়। কাজ বন্ধের বিষয়টি স্বীকার করেছেন উপজেলা প্রকৌশল অফিস। তবে এলাকাবাসীর বিক্ষোভে নয়, তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কাজ বন্ধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন এই অফিসের কর্মকর্তারা। ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি জানার পরই কাজ বন্ধ করে মূল ঠিকাদারকে কাজের সাইডে আসতে বলা হয়েছিল। গতকাল সকালে তারা সাইটে আসলে দ্রুত নিম্নমানের সামগ্রী সড়ক থেকে উঠিয়ে নিয়ে দরপত্র অনুযায়ী কাজ করতে তাকে নির্দেশ দিয়েছি। অন্যথায় ঠিকাদারের বিল আটকে রাখা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর