× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার

এই সপ্তাহেই খালেদা জিয়ার জামিন হবে: মওদুদ

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ জুন ২০১৯, সোমবার, ৯:৪৫

চলতি সপ্তাহেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার জামিন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। হাইকোর্টে এখন বেগম খালেদা জিয়ার দুটি মামলা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি হলো জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা এবং অন্যটি হলো, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা। এই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে এ দুটি মামলায় জামিন চাওয়া হবে। আমরা আশাকরি, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়ার জামিন হবে। যদি জামিন না হয় তাহলে অবশ্যই আমরা আপিল বিভাগে যাবো। কিন্তু আমরা জানি, সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আজকে প্রায় এক বছর চার মাস ধরে কারাগারে আছেন খালেদা জিয়া। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ আশাপ্রকাশ করেন। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় বেগম জিয়ার জামিনের জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করবো।
কিন্তু তার সত্যিকারের মুক্তি আসবে আন্দোলনের মাধ্যমে। রাজপথেই তার মুক্তি নিশ্চিত হতে পারে। এজন্য আমাদের সংগঠিত হতে হবে। কর্মসূচি দিতে হবে। আমাদেরকে এমন কর্মসূচি দিতে হবে, যাতে সরকার খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মওদুদ আহমদ বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সারা বাংলাদেশের মানুষ উৎকণ্ঠিত। তারা সকলেই চায়, খালেদা জিয়া যাতে আর কারা অন্তরালে না থাকেন। এটা দেশের ১৬ কোটি মানুষের ইচ্ছা। কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না। কারণ- সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবে আমরা শত চেষ্টা করেও জামিনের সুরহা করতে পারছি না। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য সুদিন আসছে। এই সুদিন এখন সময়ের ব্যাপার। এই সুদিন সেই দিন আসবে, যেদিন গণতন্ত্র আসবে, বেগম জিয়া মুক্ত হবেন। দেশে আইনের শাসন এবং বিচারবিভাগের স্বাধীনতা ফিরে আসবে। সেই দিনের অপেক্ষায় আপনাদের থাকতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেটের ব্যাপারে প্রবীণ এই রাজনীতিক বলেন, সরকারের সুবিধাভোগীদের জন্য এ বাজেট, জনসাধারণের জন্য নয়। গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে গেছে ৫৮৮ লাখ কোটি টাকা। এটা বর্তমান সরকারের বাজেটের চেয়েও বেশি। যে হারে টাকা পাচার হচ্ছে- এ পাচার কারা করছে? এ সরকারের মদত নিয়ে যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করে টাকা করেছে, সেটা দেশে বিনিয়োগ না করে পাচার করছে বিদেশে। আয়োজক সংগঠনের সহসভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, স্বনির্ভর সম্পাদক শিরিন সুলতানা, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান বক্তব্য দেন। মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর