× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

জামিন নাকচ, কারাগারে ওসি মোয়াজ্জেম

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ জুন ২০১৯, সোমবার, ২:৪৩

নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার মামলায় গ্রেপ্তার ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের জামিন নাকচ করে দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস শামস জগলুল হোসেনের আদালতে আজ এ আদেশ দেন।

এর আগে মোয়াজ্জেমের জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন তার আইনজীবী মাসুমা আক্তার। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে মোয়াজ্জেমকে আদালতে হাজির করার পর শুনানী শুরু হয়। এ সময় হাতকড়া পরানো নিয়ে বিতন্ডা হয়। আদালতে মামলার বাদী ব্যারিস্টার সুমন উপস্থিত ছিলেন।

উভয় পক্ষের শুনানী শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ছাড়া আগামী ৩০ জুন চার্জ গঠনের শুনানির দিন দাজ্জ করা হয় 

এর আগে রোববার শাহবাগ এলাকা থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরোয়ানাভুক্ত আসামি ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেনীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

ওসি মোয়াজ্জেমকে হস্তান্তরের বিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, ফেনীর  সোনাগাজী থানায় তার অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট থাকায় সেই থানার পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল সকালে ঢাকায় আসে। সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ফেনী পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা তারা পালন করবেন।

জানা গেছে, ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন এখনও শাহবাগ থানায় আছেন। দুপুরে তাকে ঢাকার সাইবার ক্রাইম আদালতে নেয়া হবে।

মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে গত ৬ এপ্রিল পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তার দিন দশেক আগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানাতে সোনাগাজী থানায় যান নুসরাত। থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন সে সময় নুসরাতকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে বিব্রত করেন এবং তা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৭ জুন ২০১৯, সোমবার, ৪:৪৫

নিজের মেয়ের বয়সী একটি মেয়েকে উপহাস ও আপত্তিকর প্রশ্নে বিব্রত করার পরিণাম । মেয়েটির আত্মার অভিশাপ কাউকে ছাড়বে না। হত্যার পরোক্ষ সহযোগী হিসাবে আসামি করা হয়নি পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে। নতুবা আওয়ামিলীগের দুই নেতার মত ও সি ও আসামি হতেন ।

অন্যান্য খবর