× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার

রামপালসহ বিতর্কিত সব প্রকল্প স্থগিত করার দাবি টিআইবির

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ জুন ২০১৯, সোমবার, ৪:৫০

‘ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্যে’র তালিকায় সুন্দরবনকে অন্তর্ভূক্ত করার প্রস্তাবে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। আজারবাইজনের বাকুতে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ৪৩তম অধিবেশনের জন্য প্রস্তাবিত এজেন্ডায় এটি গৃহিত হওয়ার পূর্বেই সুন্দরবন ও আশপাশের সংরক্ষিত অঞ্চলের চলমান সকল প্রকল্প স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। সুন্দরবনের পাশেই চলমান রামপাল বিদ্যুতকেন্দ্র প্রকল্প স্থগিত করে ইউনেস্কো’র বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির সুপারিশ আমলে নিয়ে পরিবেশগত সমীক্ষা ও সময়াবদ্ধ অন্যন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নেরও আহ্বান জানায় সংস্থাটি।

আজ সোমবার এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ৪৩তম অধিবেশনের প্রস্তাবিত এজেন্ডায় সুন্দরবনকে ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভূক্তির প্রস্তাব প্রমাণ করে, রামপালসহ অন্যান্য প্রকল্পের কারণে সুন্দরবন ঝুঁকিতে রয়েছে। আমাদের দীর্ঘদিনের আশংকা ও উদ্বেগ এখন প্রতিফলিত হল।

তিনি বলেন, কোন ধরণের কৌশল ও পরিবেশগত সমীক্ষা ছাড়াই সুন্দরবনের সন্নিকটে এধরণের ঝুঁকিপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সরকারি উদ্যোগে বৈশি^ক, স্থানীয় উদ্বেগ ও পরামর্শ উপেক্ষা করায় আজ এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আসন্ন বাকু মিটিংয়ের আগেই অনতিবিলম্বে রামপাল, তালতলি ও কলাপাড়ায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতকেন্দ্র স্থাপনের সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত করতে হবে এবং ইউনেস্কো’র বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নে আশু পদক্ষেপ নিতে হবে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরো বলেন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়নে বিশ্ব ঐতিহ্য রক্ষা ও সুরক্ষায় সরকারী প্রচেষ্টা শক্তিশালী করার কথা ছিল। কিন্তু কৌশলগত পরিবেশগত সমীক্ষা ও যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করেই সুন্দরবনের মত বিশ্ব ঐতিহ্য ঝুঁকিতে রেখে রামপালসহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে সরকারের অঙ্গীকারের পরিপন্থী। ইউনেস্কোর এ প্রস্তাবের পর আর নির্বিকার থাকার কোনো সুযোগ নেই। অবিলম্বে সুন্দরবন সুরক্ষায় সম্ভাব্য সব ধরণের পদক্ষেপ নিতে হবে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ইউনেস্কোর সুপারিশ আমলে নিয়ে অবিলম্বে তেল ছড়িয়ে পড়া ও রাসায়নিক দূর্ঘটনা নিরসনে জাতীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও জনবল নিয়োগ দিয়ে তা কার্যকর করতে হবে।
তিনি বলেন, সুন্দরবনকে ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব বাতিলে স্বল্পমেয়াদী আশু পদক্ষেপ নেয়ার পাশাপাশি ২০২০ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য সংস্থার ৪৪তম অধিবেশনের আগেই তাদের প্রস্তাবিত প্রয়োজনীয় সমস্ত কার্যক্রম গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় সুন্দরবনের মত বৈশি^ক সম্পদ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে, যা কোনভাবেই কাম্য নয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Rose
১৭ জুন ২০১৯, সোমবার, ৭:৫৭

দেশে সব কাজেই তো কেউ না কেউ বিতর্কিত করে ।ওই চিন্তা করলে তো কিছুই হবেনা ।সমাধান তো বের করতে হবে । টিআইবি কি বিতর্কের উর্দ্ধে নাকি । এসি রুমে বসে গবেষণা চলে বিদেশ থেকে অনুমতি নিয়ে প্রচার সমলোচনা অনেক সময় বাস্তব এর সাথে রিপোর্ট এর কোনো মিল থাকে না। টিআইবি তে যারা আছে তাদের সব কিছু সচ্চ নাকি । অতিতে অনেক সরকারি কাজে জড়িত থাকতে ও পারে সাফল্য টা কি । সমালোচনা আর বদনাম বিদেশী দের বলে বেড়ানো । আজকের ইংল্যান্ড বা পশ্চিমা দের অতিতে তাদের এই উপমহাদেশের মানুষ দের উপর কি করেছিল টিআইবি জানার কথা অথচ তারা এখনো অনুতপ্ত ভোদ পযন্ত করে না ।আর এখন আমরা নিজেদের বদনাম করে বেড়ায় ওদের কাছে পয়সার বিনিময়ে । পশ্চিমারা লাক লাক লোক মেরে ফেলতেছে অনেক দেশে গুটিকয়েক সন্ত্রাসী র জন্য তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় না অথচ ওই সব সন্ত্রাসী বানায় ওরা । আর আমাদের দেশের এই মানুষ গুলো রিপোর্ট না করে কাজে সাহায্য করলে ভাল হত

অন্যান্য খবর