× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার
সিলেটে জামাল হত্যা

দুই ঘাতকের স্বীকারোক্তি

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে | ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:৩৭

সিলেট শহরতলির শাহপরান বিআইডিসিতে জামাল খুনের ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে দুই ঘাতক। রোববার রিমান্ড শেষে তাদের হাজির করলে তারা সিলেটের আদালতে এই স্বীকারোক্তি দেয়। এ সময় জব্বার আলী জনি জানায়- হাতের ছুরি দিয়ে সে নিহত আবদুুল হাফিজ জামালের উরুতে আঘাত করে। আর জুনেদ আহমদ জানায় সে রাম দা দিয়ে আক্রমণ করে। এদিকে- আদালতের স্বীকারোক্তি শেষে দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ গতকাল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। গত ৩০শে মে বিকাল পৌনে ৬টার দিকে শাহপরান বিআইডিসির বহর আবাসিক এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে আব্দুল হাফিজ জামাল হত্যার ঘটনা ঘটে। বিআইডিসি এলাকার খন্দকার মার্কেটের দক্ষিণ পাশের গেটের ভেতরে বসে আরো দুই বন্ধুর সঙ্গে গল্প করার সময় জামালের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
সঙ্গে থাকা বন্ধু রবিউল ইসলাম নবেল ও কাওছার আহমদ তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পৌনে ৭টার দিকে জামালকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এ ঘটনায় নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলায় আবাসিক এলাকার আমীর আলীর ছেলে জব্বার আলী জনি ও কালা মিয়ার ছেলে জুনেদ আহমদের নাম ছিল। এ দুই আসামি গত ১১ই জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করে। পরে আদালত তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার এসআই রিপটন পুরকায়স্থ উভয় আসামিকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেন। রিমান্ড শেষে আসামিদেরকে আদালতে হাজির করা হলে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। গত ২৮শে মে ব্যঙ্গাত্মক কথাবার্তার জের ধরে আবদুল হাফিজ জামালের সঙ্গে আসামিদের মনোমালিন্য হয়। এরপর ৩০শে মে জব্বার আলী জনি হাতে ছোরা এবং জুনেদ আহমদ হাতে রাম দা নিয়ে জামালের ওপর হামলা চালায়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর