× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার

দেশে প্রথম লোহার খনি আবিষ্কার

অনলাইন

ইউএনবি | ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৬:৪২

দেশে এই প্রথমবারের মতো দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ইসবপুর গ্রামে উন্নত মানের লোহার আকরিকের (ম্যাগনেটাইট) খনি আবিষ্কার করা হয়েছে। বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের (জিএসবি) কর্মকর্তারা দুই মাস ধরে কূপ খনন করে অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আজ মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কর্মকর্তঅরা জানান, ভূগর্ভের ১ হাজার ৭৫০ ফুট নিচে, ৪০০ ফুট পুরুত্বের লোহার আকরিকের একটি স্তর পাওয়া গেছে, যা এক ব্যতিক্রমী ঘটনা।

খনন কাজে নিয়োজিত জিএসবির উপপরিচালক মোহাম্মদ মাসুম বলেন, বিশ্বের যে কয়েকটি দেশে লোহার খনি আবিষ্কার করা হয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশের আকরিকে লোহার শতাংশ ৬৫-এর উপরে। কানাডা, চীন, ব্রাজিল, সুইডেন ও অষ্ট্রেলিয়ার খনির লোহার মান ৫০ শতাংশের নিচে। জয়পুরহাটে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) পরীক্ষাগার থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

‘খনিটির ব্যাপ্তি ৬-১০ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে স্বর্ণের অস্তিত্বের পাশাপাশি কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়মেরও উপস্থিতি রয়েছে। ১ হাজার ১৫০ ফুট গভীরতায় চুনাপাথরের সন্ধানও মিলেছে,’ যোগ করেন মোহাম্মদ মাসুম।

মোহাম্মদ মাসুম জানান, জিএসবি ২০১৩ সালে ইসবপুর গ্রামের ৩ কিলোমিটার পূর্বে মুশিদপুর এলাকায় কূপ খনন করে খনিজ পদার্থের সন্ধান পেয়েছিল। সেই গবেষণার সূত্র ধরে চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল থেকে ইসবপুরে কূপ খনন শুরু করা হয়। এরপর ১ হাজার ৩৮০ থেকে দেড় হাজার ফুট গভীরতা পর্যন্ত খননকালে আশার আলো দেখা যায়।
এ খবর পেয়ে ২৬ মে জিএসবির মহাপরিচালক জিল্লুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখানে পরিদর্শনে আসেন। তখন জিল্লুর রহমান সাংবাদিকদের সুখবর না দিলেও লোহার খনি আবিষ্কার হতে চলেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
জিএসবির উপপরিচালক বলেন, এ অঞ্চলটি ৬০ কোটি বছর আগে সমুদ্র ছিল। সেই কারণে এখানে জমাট বাঁধা আদি শিলার ভেতরে লোহার আকরিকের এ সন্ধান পাওয়া যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা সদর থেকে ১১ কিলোমিটার পূর্বের গ্রাম ইসবপুরের কৃষক ইছাহাক আলীর কাছ থেকে ৫০ শতক জমি ৪ মাসের জন্য ৪৫ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে খনিজ পদার্থের অনুসন্ধানে কূপ খনন শুরু করেছিল জিএসবি।
জিএসবির উপপরিচালক মাসুদ রানা জানান, ৩০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল ৩ ধাপে এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৯ জুন ২০১৯, বুধবার, ৯:০৪

It will not feasible to collect or from such a deep mine. Cost will be too much

Matiur
১৯ জুন ২০১৯, বুধবার, ৭:০৭

Pls don't contract with foreigner to withdrawn this Material pls contract with BUET, DUET ,other govt. And private university they are capable to do this .

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
১৯ জুন ২০১৯, বুধবার, ৩:৩৯

প্রিয় মহোদয়, শুধু অনুরোধ রইলো সংশ্লিষ্টদের কাছে, বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির মত লাখ লাখ টন যেন সিস্টেম লেসের নামে লুট পাট না হয় ।

আবদুল আহাদ
১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:১৯

সরকারের কাছে টাকা না থাকলে শেয়ারের বাজাের গ্রিনফিল্ড হিসাবে লিষ্টিন করে তিন হাজার কোটি টাকা নিতে পারেন।

Jamal
১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:০৬

ভালো লেগে কি হবে? খনি দিয়ে দিবে বিদেশিদের হাতে, লুটপাট করে সবই শেষ হবে। বাংলার খনির লোহা বাংলার মানুষের কাছে বিক্রি করবে।

কামাল হোসেন ভূঁইয়া
১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৬:৫৩

আলহামদুলিল্লাহ্ । এই খবর পড়ে অনেক অনেক ভাল লাগছে। ধন্যবাদ বাংলাদেশ সরকারকে এবং সংশ্লিষ্ট দেশ প্রেমিক কর্মরত সবাইকে।

Selina
১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৬:৪৪

Al Hamdulillah , iron in Bangladesh , plenty of U238 in the river sand of north bengle river makes the richest one country .it is universily established truth where is gas available there's oil must .

অন্যান্য খবর