× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার

অসহায়ের পাশে ইউএনও রুমি

বাংলারজমিন

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি | ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১০:০২

ভোলার লালমোহনে অসহায়দের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান রুমি। ২০১৮ সালের এপ্রিলের প্রথম দিকে গোপালগঞ্জ থেকে পদোন্নতি পেয়ে লালমোহনে ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন তিনি। এরপর থেকে অসহায়দের জন্য মানবিক অনেক কাজ করে উপজেলার বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনায় আসেন ইউএনও হাবিবুল হাসান রুমি। সম্প্রতি লালমোহনকে ভিক্ষুকমুক্ত করার অঙ্গীকার করেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তাদের একদিনের বেতন দিয়ে লালমোহন সদর ইউনিয়নকে প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করেন। ওই ইউনিয়নের ৪৭ জন ভিক্ষুককে স্বাবলম্বী করতে গরু, ছাগল, হাঁস ও দোকান করে দিয়েছেন তিনি। এখন লালমোহন ইউনিয়নের ভিক্ষুকরা ভিক্ষা পেশা ছেড়ে ইউএনওর দেয়া সহযোগিতা নিয়ে নিজেরাই স্বাবলম্বী হচ্ছে। ইউএনওর দেয়া সহযোগিতা পেয়ে স্বাবলম্বী হওয়া আমজাদ, রফিক, বিবি আয়েশা ও জয়তুন বেগমসহ কয়েকজন বলেন, ইউএনও স্যার আমাদের সহযোগিতা করে ভিক্ষা পেশা থেকে মুক্ত করেছেন।
আমরা এখন নিজেরাই দিন দিন স্বাবলম্বী হচ্ছি। এদিকে সম্প্রতিকালে ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় লালমোহন। পরদিন সকালে নিজে ও উপজেলার অন্যান্য কর্মকর্তাকে নিয়ে ছুটে যান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে। সেই ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডব থেকে বাদ পড়েনি উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের অসহায় খোকন বিবির মাথা গোঁজার শেষ সম্বলটুকুও। খোকন বিবিকে নিয়ে মানবজমিনে ‘ফণী কেড়ে নিলো খোকন বিবির শেষ সম্বলটুকুও’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশের পরপরই তার বাড়িতে ছুটে যান ইউএনও হাবিবুল হাসান রুমি। তাকেও নিজের উদ্যোগে একটি টিনশেড ঘর ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেন তিনি। এসব কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে ইউএনও হাবিবুল হাসান রুমি বলেন, সমাজের অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানো সকলের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এসব অসহায়দের জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি। আমি চাই সকলের বিবেক জাগ্রত হয়ে এই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াক।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর