× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার

মাদ্রাসা ছাত্রীসহ ৪ নারী ধর্ষিত

বাংলারজমিন

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি | ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার, ৭:৫৬

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের সনমান্দিতে প্রবাসীর স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার রাতে ইমানেরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে ছালাউদ্দিন (২৪) ও আনোয়ার হোসেন (৩২)কে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় মামলা করেছে। পুলিশ শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ধর্ষক আনোয়ার হোসেনকে আটক করেছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ, উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের ইমানেরকান্দি গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী তার দেড় বছরের শিশু সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছে। গত শুক্রবার রাতে গৃহবধূ তার প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতে ঘরের বাহিরে যায়। এ সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ছালাউদ্দিন ও আনোয়ার হোসেন গৃহবধূকে মুখে গামছা পেঁচিয়ে জোরপূর্বক পাশের একটি ক্ষেতে নিয়ে তাদের সঙ্গে দেহ মিলনের প্রস্তাব দেয়। এতে গৃহবধূ রাজি না হওয়ায় জোরপূর্বক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরে দীর্ঘক্ষণ অতিবাহিত হওয়ার পর প্রবাসীর স্ত্রী ঘরে না আসায় তার মা বাহিরে তাকে খুঁজতে আসে। এ সময় গৃহবধূকে না পেয়ে তার মা তাকে ডাকতে থাকে। এক পর্যায়ে গোংরানোর শব্দ পেয়ে পাশের জমিতে এগিয়ে গেলে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আহত প্রবাসীর স্ত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে ধর্ষকদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে শনিবার রাতে সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ আনোয়ার হোসেন নামের এক ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে। ধর্ষক ছালাউদ্দিন সনমান্দী ইউনিয়নের ইমানেরকান্দী গ্রামের সামসুল হক মিয়ার ছেলে ও আনোয়ার হোসেন একই এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনায় আনোয়ার নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। ধর্ষক ছানোয়ারকে গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সংখ্যালঘুর স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে এক সন্ত্রাসী। ধর্ষক সন্ত্রাসীর হত্যার হুমকির ভয়ে ধর্ষিতা সংখ্যালঘুর পরিবার থানায় মামলা করতে ভয় পাচ্ছেন। উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বালিরদিয়াড় গ্রামে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটেছে।
মরিচা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলমগীর জানান, গত বুধবার রাতে বালিরদিয়াড় গ্রামের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বিল্লাল মোল্লা (২৮) সুজল দাসের অনুপস্থিতিতে ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ধর্ষণের ঘটনা কাউকে না বলার জন্য হত্যার হুমকি দিয়ে যায়। ধর্ষণের ঘটনা ধর্ষিতা তার স্বামীকে জানালে প্রাণভয়ে সুজল দাস বিষয়টি কাউকে না বলে গোপন রাখলে গতকাল রোববার তা ফাঁস হয়ে যায়। পরে ধর্ষণের ঘটনা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে অবগত করা হলে চেয়ারম্যান শাহ আলমগীর সন্ত্রাসী বিল্লাল মোল্লা দ্বারা সংখ্যালঘুর স্ত্রী ধর্ষণের ঘটনা দৌলতপুর থানা পুলিশকে অবগত করেন।
বালিরদিয়ার গ্রামের আলম মেম্বরের ছেলে সন্ত্রাসী বিল্লাল মোল্লার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক ধর্ষণ, সন্ত্রাসী, হামলা ও মারপিটের অভিযোগ থাকলে প্রভাবশালী হওয়ায় সে সবসময়ই থাকে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে।
আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: ৭ ঘণ্টা আটকে রেখে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে স্থানীয় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সে নরসিংদী জেলার মাধবদীর খৈইড়া এলাকায় একটি মহিলা মাদ্রাসায় পড়ছে। এ ঘটনায় গতকাল ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে বখাটে রাকিবকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ এরই মধ্যে ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে। সে স্থানীয় নাগের এলাকায় মেরাজ মাস্টারের বাড়ির ভাড়াটিয়া ও চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানাধীন বদরপুর পাটোয়ারি বাড়ি নামক এলাকার জাকির মিস্ত্রির ছেলে। ওই ছাত্রীর পরিবারও একই বাড়ির ভাড়াটিয়া। পুলিশ ও ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২১শে জুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই ছাত্রী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘরের বাইরে বের হয়। বাইরে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা বখাটে রাকিব তাকে মুখ চেপে ধরে পাশেই একটি খালি কক্ষে ২২শে জুন ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে সে পালিয়ে যায়। পরে ওই ছাত্রী তার পরিবারের কাছে ঘটনাটি অবহিত করে। আড়াইহাজার থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এরই মধ্যে ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর