× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার

টাঙ্গাইলে পুলিশের চাকরি দেয়ার নামে এসআই ও সাংবাদিকের স্ত্রী গ্রেপ্তার

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, টাঙ্গাইল থেকে | ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার, ৮:২৩

পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি দেয়ার কথা বলে প্রতারণার অভিযোগে পুলিশের এক এসআই ও সাংবাদিকের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ। শুক্রবার রাতে জেলার পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জামালপুর সদর কোর্টের সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মোহাম্মদ আলী (৪৫)। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে এবং শাহানাতুল আরেফিন সুমি (৩৫) জামালপুর জেলার টুংরাপাড়া গ্রামের বাশারের স্ত্রী। সাংবাদিক খাইরুল ইসলাম দৈনিক অন্য দিগন্তের স্টাফ রিপোর্টার। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং একটি হায়েচ গাড়ি জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা আগামী ১লা জুলাই অনুষ্ঠেয় পুলিশের কনস্টেবল পদে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি দিবেন বলে লেনদেন করেন। গতকাল টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, শেরপুরের বাসিন্দা ওয়াজেদ আলীর ভাতিজা কবির মিয়াকে টাঙ্গাইলে পুলিশ কনস্টবল পদে চাকরির জন্য বিভিন্ন মাধ্যম খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে প্রায় ৫ দিন আগে ওয়াজেদ আলীর পরিচিত জামালপুরের কর্মরত এসআই মোহাম্মদ আলী একজন সাংবাদিকের সঙ্গে তাকে কথা বলিয়ে দেয়। চাকরি নিতে হলে ১২ লাখ টাকা লাগবে বলে ওই সাংবাদিক জানায়। পরে ১০ লাখ টাকায় বিনিময়ে চাকরি হবে বলে দফারফা হয়। চুক্তি অনুয়ায়ী শুক্রবার একটি হায়েচ ভাড়া করে এসআই মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক খাইরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সুমি এবং ওয়াজেদ আলী টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্য রওনা হয়। পথিমধ্যে ওয়াজেদ আলী ১০ লাখ টাকা ওই সাংবাদিকের স্ত্রী সুমির কাছে দেয়। পরে টাঙ্গাইলের পুলিশ অফিসের সামনে আসার আগেই এসআই মোহাম্মদ আলী গাড়ি থেকে নেমে যায়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর