× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার

ঝিনাইদহে লাইনে দাঁড় করিয়ে ঘুষের টাকা ফেরত

এক্সক্লুসিভ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার, ৯:১৭

ঝিনাইদহে লাইনে দাঁড়িয়ে ঘুষের টাকা ফেরত দেয়ার ঘটনা এখন টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে। খবরটি এখন মানুষের মুখে মুখে। বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার কথা বলে ১২৬ পরিবারের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছিলেন ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির শৈলকুপা উপজেলার এলাকা-৭ এর পরিচালক নুরুজ্জামান। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয় বিষয়টি। অবশেষে গ্রাহকের 
চাপের মুখে ঘুষের এক লাখ আটত্রিশ হাজার একশ’ টাকা তিনি ফেরত দিতে বাধ্য হন। গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে শৈলকুপা উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের খুলুমবাড়িয়া গ্রামের পৃথক দুইটি স্থানে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘুষের টাকা ফেরত দেয়া হয়। সারিবদ্ধ ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা বুঝে নেন গ্রাহকরা। এ সময় ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেন, শৈলকুপা উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কামরুজ্জামান, সমিতি বোর্ডের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মোতাহার হোসেন ও সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (সদস্য সেবা) মো. রেজাউল করিম রাজিব উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেন বলেন, শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারণের কাজ চলছে। সুযোগ বুঝে ওই এলাকার দালাল চক্রের মাধ্যমে ঘুষ নেন পরিচালক নুরুজ্জামান। ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি ব্যাপক ভাবে জানাজানি হলে গোপন অনুসন্ধান কালে খবরের সত্যতা পান জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির শৈলকুপা ৭ নং এলাকা পরিচালক নুরুজ্জামানের নাম বেরিয়ে আসে। পরবর্তীতে এই টাকা গ্রাহকদের ফেরত দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। লাইনে দাঁড় করিয়ে ঘুষের টাকা ফেরত দেয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বৃহস্পতিবার রাতে পরিচালক নুরুজ্জামান নিজেই গ্রাহকদের হাতে সেই টাকা তুলে দেন। ওই দিন দুর্নীতিবিরোধী ব্যানার ঝুলিয়ে ১২৬ পরিবারকে এক লাখ আটত্রিশ হাজার একশ’ টাকা ফেরত দেয়া হয়। পরিচালক নুরুজ্জামান গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণের কথা স্বীকার করে বলেন, তিন বছর আগে খুলুমবাড়িয়া গ্রামের দক্ষিণপাড়া ও বাগদিপাড়ার অন্তত ১৫০ জনের কাছ থেকে মিটারসহ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার কথা বলে গড়ে ৭৫০ টাকা হারে ঘুষ নেন। নুরুজ্জামান শৈলকুপার হাকিমপুর গ্রামের মৃত নজির উদ্দিন মোল্লার ছেলে। এলাকা পরিচালক হওয়ার আগে তিনি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তালিকাভুক্ত ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। এলাকা পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে বলে জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেন জানান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর