× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর

বিদ্যুৎখাতেই ২.৭ বিলিয়ন ঋণ এবং ৮ চুক্তির প্রস্তাব

দেশ বিদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি | ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার, ৯:৩২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীন সফরে রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ ‘রাজনৈতিক বিষয়াদি’ নিয়ে আলোচনা পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে সহজ শর্তে দেশটির ঋণ প্রাপ্তি নিয়ে কথা হবে। সরকারী সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, কেবল বিদ্যুৎ খাতেই ২.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তির প্রস্তাব করবে ঢাকা। যা দিয়ে রাজধানীর বিদ্যুৎ বিতরণ লাইনের সংস্কার এবং শক্তিশালী করণের কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। জুলাইয়ের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যাচ্ছেন। সূত্র এ-ও বলছে, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন শক্তিশালীকরণের ওই পরিকল্পনায় ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) রাজধানী ও এর আশেপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা সমপ্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ এবং বিদ্যুৎ বিতরণে গ্রিডলাইন বা সঞ্চালন লাইন শক্তিশালীকরণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পসহ বিদ্যুৎ খাতে মোট আটটি চুক্তি সইয়ের প্রস্তাব রয়েছে। গত ১০ ই জুন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং জু ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিবের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চীনা দূতও এ নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন।
তার আগ্রহের প্রেক্ষিতেই চুক্তি সম্পাদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিবকে অনুরোধ করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী পহেলা জুলাই পাঁচ দিনের সফরে চীন যাচ্ছেন। শুরুতে তিনি একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। পরে দ্বিপক্ষীয় সফরে তিনি বেইজিং যাবেন। সরকার প্রধানের ওই সফর নিয়ে ১০ জুলাই ইআরডি সচিবের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে বিদ্যুৎ খাতের যে আটটি সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ সইয়ের আলোচনা হয়েছে তার ৩টি এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ সরকার। অন্য চুক্তিগুলো তৈরি করা হচ্ছে। চুক্তির আওতায় ডিপিডিসি’র আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সিস্টেমের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ সমঝোতা, ডিপিডিসি’র প্রকল্পের জন্য দুইটি লোন এগ্রিমেন্ট, পিজিসিবি’র জন্য তিনটি লোন এগ্রিমেন্ট এবং আরও দুইটি চুক্তি। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। সফরসূচি এবং দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আলোচ্যসূচি চূড়ান্ত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর বর্তমান আঞ্চলিক ও বিশ্ব রাজনীতির বাস্তবতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' এবং রোহিঙ্গা ইস্যু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে। চীন সফরে একাধিক মন্ত্রী এবং বাণিজ্য প্রতিনিধি দল অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৬ সালের অক্টোবরে ঢাকা সফর করেন। প্রেসিডেন্ট শি’র ওই সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে ২৭ প্রকল্পে সাড়ে ২২ বিলিয়ন ডলার ঋণ চুক্তি সই হয়েছিল।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর