× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার

ভাঙ্গুড়ায় প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ

বাংলারজমিন

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি | ২৬ জুন ২০১৯, বুধবার, ৭:৪৭

ভাঙ্গুড়ায় গোপনে ভুয়া কাবিন রেজিস্ট্রার ও ভুয়া হলফনামা দিয়ে বিয়ে পড়িয়ে এক নারীকে দীর্ঘ আট মাস ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে সুলতান মাহমুদ সুজনের (৩১) বিরুদ্ধে। সুজন ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের হারোপাড়া মহল্লার চৌধুরী পাড়ার আব্দুর রশিদ বাবলুর ছেলে ও এক সন্তানের জনক। এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী নারী গত সোমবার রাতে ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। প্রতারণার শিকার ওই নারী জানান, প্রথম স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় পরে সে ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের হারোপাড়া মহল্লার বিশ্বাসপাড়ায় নিজ বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। একবছর আগে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে সুজনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে রূপপুর পারমাণবিক প্লান্টে কর্মরত সুজন তাকে ঈশ্বরদী ইপিজেডে চাকরির ব্যবস্থা করে দেয়। এরপর থেকে সেও ঈশ্বরদীতে বসবাস করতে শুরু করে। আটমাস আগে সুজন প্রথম স্ত্রীর কথা গোপন করে নোটারি পাবলিকের অ্যাডভোকেট ও নিকাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে তাকে বিয়ে করে।
পরে তারা দুজনই পরিবারের কাছে বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখে ঈশ্বরদীতে একসঙ্গে সংসার করতে থাকে। বিয়ের কিছুদিন পরে সে সুজনের প্রথম স্ত্রীর বিষয়টি জানতে পারে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। পরিস্থিতি বেগতিক হলে সুজন প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি জানার পর ভাঙ্গুড়ায় বসবাসরত প্রথম স্ত্রী সুজনের বিরুদ্ধে মামলা করার উদ্যোগ নেয়। এতে সুজন বেকায়দায় পড়ে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। পরে সে স্ত্রীর দাবি করলে তাকে নকল বিয়ে করা হয়েছিল বলে জানায় সুজন। বিষয়টি যাচাই করতে বিয়ে পড়ানো নিকাহ রেজিস্ট্রার ও নোটারি পাবলিকের অ্যাডভোকেটের সন্ধান করা হয়। কিন্তু তাদের খুঁজে পায়নি সে। নিরুপায় হয়ে তিনি সোমবার রাতে ভাঙ্গুড়া থানায় অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক রাজু আহমেদ বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে সুজন মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি কোনো দ্বিতীয় বিয়ে করি নাই। এসব মিথ্যা কথা। আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে ওই নারী এই অভিযোগ করেছে।’
তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গুড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) রাজু আহমেদ বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে সুজনের বাড়িতে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।
তাকে না পেয়ে তার অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধান না হলে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
tikon
২৭ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১:৩১

জেনে শুনে কাজ করা ভালো

অন্যান্য খবর