× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার

নন্দীগ্রামে আবারো হাটের জায়গা দখল

বাংলারজমিন

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি | ২৬ জুন ২০১৯, বুধবার, ৭:৫৩

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা হাটের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর আবারও জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের মহোৎসব চলছে। আর এবিষয়ৈ প্রশাসনের কোন ভূমিকা চোখে পড়ছে না। স্থানীয়রা জানান, রণবাঘা হাটটি উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ পুরনো। সপ্তাহে সোমবার ও শুক্রবার এখানে হাট বসে। স্থানীয় কৃষকরা বছরজুড়ে ধান বেচাকেনা করে এখানে। অথচ এ জনগুরুত্বপূর্ণ হাটের মূল জায়গায় অর্ধশত অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ করা হলেও সেখানে আবারো দোকানঘর তুলে দখল করছে প্রভাবশালীরা। এ কারণে হাটের জায়গা দিনদিন কমে গিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানা গেছে, উপজেলার রনবাঘা হাটের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা অন্তত ১৪৫টি স্থাপনা গত ৭ই মার্চ উচ্ছেদ করা হয়।
উচ্ছেদের চার মাস না যেতেই দখলদাররা আবার জায়গা দখল করছে। যে সব দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল, সেগুলো আবার বসানো হয়েছে। কিছু দোকান ইট-বালু দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। আর কিছু দোকান টিন বা ত্রিপল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এদিকে উপজেলার রনবাঘা, পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা ও কুন্দারহাটে মহাসড়কে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা অন্তত ২৫০ স্থাপনা জানুয়ারি মাসে উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু আবার সেসব জায়গাও দখল করে স্থাপনা নির্মাণ চলছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরাফাত হোসেন বলেন, জনস্বার্থে হাটের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। আবার কেউ দখল করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আব্দুল বারী বলেন, হাটের জায়গায় অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ করা হলেও সেখানে আবারও দোকানঘর নির্মাণ করে দখল করছে প্রভাবশালীরা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কে জানানো হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর