× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার

ষড়যন্ত্রের শিকার নওয়াজ প্রমাণ দিলেন মরিয়ম

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৮ জুলাই ২০১৯, সোমবার, ৯:০২

পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তার কন্যা মরিয়ম শরিফ। তিনি দাবি করেন, তার বাবাকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেয়া হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে আপস করা হয়েছে। চাপের মুখে তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। নিজের দাবির প্রমাণস্বরূপ শনিবার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন তিনি। এ খবর দিয়েছে আনন্দবাজার। খবরে বলা হয়, মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) নেত্রী মরিয়মের প্রকাশিত ভিডিওটি দলের তরফে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তাতে দেখা যায়, পিএমএল-এন নেতা নাসির বাটের সঙ্গে কথা বলছেন ইসলামাবাদ আদালতের বিচারপতি আরশাদ মালিক।
আলোচনায় আরশাদকে বলতে শোনা যায়, বাইরে থেকে চাপ আসছিল।
ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল তাকে, যাতে কোনোভাাবেই রেহাই না পান নওয়াজ শরিফ। শেষমেশ চাপের মুখে নতি স্বীকার করেন তিনি। দুর্নীতির স্বপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও নওয়াজকে কারাবাসের সাজা দেন।
ভিডিওটি নিয়ে শনিবার লাহোরে একটি সাংবাদিক বৈঠকও করেন মরিয়ম। সেখানে তিনি জানান, আদালতে ন্যায্যবিচার পাননি তার পিতা। এই ভিডিওটিই এখন সহায়। তিনি আরো বলেন, নওয়াজের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, আর্থিক অসদাচরণ ও বেআইনি লেনদেনের কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে সাফ জানিয়েছেন বিচারপতি মালিক। একটি ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে তাকে লাগাতার ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল। নিরুপায় হয়ে বাবাকে ওই সাজা শোনান তিনি।
নওয়াজ শরিফকে সাজা শোনানোর পর ওই বিচারপতি একাধিকবার আত্মঘাতী হওয়ার কথা ভেবেছেন বলেও দাবি করেন মরিয়ম। ভিডিওটি প্রকাশের পর নওয়াজকে মুক্ত করে দেয়া উচিত বলে জানান মরিয়ম। একইসঙ্গে তার জামিনের মামলায় ভিডিওটি ব্যবহার করা হতে পারে।
তবে ক্ষমতাসীন সরকারের দাবি, ভিডিওটি বিকৃত করে প্রকাশ করা হয়েছে। ইমরান খান সরকারের দাবি, বিকৃত ভিডিও প্রকাশ করা অপরাধ। এতে বিচার ব্যবস্থার ওপর আঘাত হানা হয়েছে। ভিডিওটি পরীক্ষা করে দেখার দাবি তুলেছে তারা। এমনকি খোদ বিচারপতি আরশাদ মালিকও ভিডিওটি বিকৃত বলে দাবি করেছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমে তিনি বলেন, আমি রাওয়ালপিন্ডির বাসিন্দা। বিচারপতি হওয়ার আগে আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছি সেখানে। নাসির বাটও সেখানকারই বাসিন্দা। অনেকদিনের পরিচয় আমাদের। তার ভাই আবদুল্লার সঙ্গেও একাধিকবার সাক্ষাৎ হয়েছে। মরিয়ম যা বলছেন, তা মোটেও সত্য নয়। নাসিরের সঙ্গে অনেক কথা হয়েছিল। তারই কিছু অংশ বিকৃত করে সামনে আনা হয়েছে।
তিনি আরো দাবি করেন, মামলার শুনানি চলাকালীন নওয়াজ শরিফের পরিবারই বরং তাকে ঘুষ দিতে চেয়েছিল। চাপে পড়ে নওয়াজ শরিফের বিরুদ্ধে রায় দেয়ার অভিযোগ খারিজ করার দাবি করেন তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর