× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার

সিরিয়া: রুশ হামলায় নিহত ৫ শতাধিক বেসামরিক নাগরিক

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৮ জুলাই ২০১৯, সোমবার, ৯:০২

সিরিয়ায় গত ২ মাসে বিদ্রোহীদের ওপর রুশ হামলায় ৫৪৪ বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে। এমনটাই দাবি করেছে সিরিয়ান নেটওয়ার্ক ফর হিউম্যান রাইটস (এসএনএইচআর) নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা। তাদের দাবি বিদ্রোহীদের দমন করতে গিয়ে বাছবিচার করছে না রাশিয়া। এ খবর দিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

গত দুই মাস ধরে সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত সর্বশেষ ঘাঁটিতে সর্বাত্মক হামলা পরিচালনা করছে রাশিয়া। ইদলিব প্রদেশে অবস্থানরত বিদ্রোহীদের দমন করতে পারলেই পুরো সিরিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে বাশার আল-আসাদ। এ লক্ষ্যে গত ২৬শে এপ্রিল রুশ বিমান বাহিনী আসাদের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগ দেয়। এরপর থেকে বিদ্রোহীদের ওপরে শুরু হয় সর্বাত্মক আক্রমণ। সিরিয়ান নেটওয়ার্ক ফর হিউম্যান রাইটসের দাবি, এ হামলার কারণে নির্বিচারে মারা যাচ্ছে ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।
সংস্থাটি সিরিয়া যুদ্ধের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ও জাতিসংঘের কাছে প্রাপ্ত তথ্য হস্তান্তর করে থাকে।

সমপ্রতি এসএনএইচআর তাদের রিপোর্টে দাবি করে রুশ হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত বেসামরিক মানুষের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। এরমধ্যে কমপক্ষে ১৩০ শিশু রয়েছে বলেও জানায় এসএনএইচআর। এ ছাড়া গত দু’মাসে আহত হয়েছে আরো ২১১৭ জন। রুশ হামলায় ওই অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবন স্থবির হয়ে গেছে। প্রায়শই বেসামরিক মানুষের বাড়িতে বোমা পড়ছে। ফলে শুধু বিদ্রোহী নয় ইদলিবের সকল মানুষই মৃত্যু ভয় নিয়ে বাস করছে বলে জানায় সংস্থাটি।
মস্কো দাবি করছে, রুশ ও সিরিয়ার সেনারা ওই অঞ্চল থেকে আল কায়েদা ও বিদ্রোহীদের দমনের চেষ্টা চালাচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগও এনেছে রাশিয়া। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, রুশ বিমানবাহিনী বৃহৎ এলাকাজুড়ে বোমা হামলা চালাচ্ছে। ওইসব এলাকা ব্যাপক জনবহুল হওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত দুই মাসের বিমান হামলায় ইদলিবের গ্রাম ও শহরগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। জাতিসংঘের হিসাবে অন্তত ৩ লাখ মানুষ বাধ্য হয়েছে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে। গ্রামগুলো একেবারে শূন্য হয়ে পড়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর