× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার

জৈন্তাপুরে ভাঙন, নদীগর্ভে সড়ক, বাড়িঘর, জমি

বাংলারজমিন

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি | ১০ জুলাই ২০১৯, বুধবার, ৮:৩৩

জৈন্তাপুরে ছুবড়ী নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বিস্তীর্ণ এলাকা। বড়গাঁং নদীর শাখা নদী ছুবড়ী নদীর ভাঙনে ইতিপূর্বে অগণিত বাড়িঘর, যোগাযোগ রক্ষাকারী সড়কসহ ফসলি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। জৈন্তাপুর উপজেলার ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের বাউরবাগ কাটাখাল, মল্লিফুদ, মাঝরপাড়, লামনীগ্রাম ও উত্তরপাড়সহ আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমেও ছুবড়ী নদীর অন্তত ২০টি পয়েন্টে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এসব পয়েন্টের ভাঙনে বাড়িঘর, সড়ক, মসজিদসহ ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে। শুক্রবার সরজমিন এলাকা পরিদর্শনে গেলে চোখে পড়ে ছুবড়ী নদীর ভাঙনের ভয়াবহতা। ছুবড়ী নদীর হিংস্র থাবায় বিলীন হওয়া বাড়িঘর ফসলি জমির চিত্র দেখলে গায়ের লোম শিউরে ওঠে। মল্লিফুদ মাঝরপাড় মসজিদটি যখন তখন নদীগর্ভে বিলীনের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে।
সরজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, ভিটামাটি হারানো মানুষজনদেরও। এসব এলাকার বসবাসরত সিংহভাগ মানুষই অসহায় কৃষক ও দরিদ্র শ্রেণির। নদী ভাঙনের দ্বারপ্রান্তে থাকা বাড়িঘরের মানুষজন নীরবে নদীর রাক্ষুসে ভাব উপলব্ধি করছেন। কথা হয় গ্রামের প্রবীণ মুরব্বি আব্দুস শুকুর, আলহাজ শামছুল হক, শিক্ষার্থী আব্দুল মতিনের সঙ্গে। তারা জানান, জৈন্তাপুর উপজেলার জৈন্তাপুর ইউনিয়নাধীন ছুবড়ী নদীটি আমাদের জনজীবনের জন্য বিভীষিকাময় অধ্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে বসবাসরত ১৫-২০ হাজার মানুষজন বেশিরভাগই দরিদ্র ও কৃষক শ্রমিক শ্রেণির। দারিদ্র্যতার মধ্যে বসবাস করা মানুষজন প্রতিনিয়তই ছুবড়ী নদীর ভাঙনের শিকার হয়ে ভিটামাটিসহ সবকিছু হারাচ্ছে। তারা জানান, নদীর দক্ষিণ পাড়ে ১৯৭৭-১৯৭৮ সালের দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি অপরিকল্পিত বেড়িবাঁধ তাদের এলাকায় নদী ভাঙনের প্রধান কারণ। তারা আরো জানান, নদীর দক্ষিণ পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধটি যদি স্লুইস গেট সাপেক্ষ করা হতো তাহলে বর্ষা মৌসুমে উভয়দিক দিয়ে পানি নিষ্কাশন হতো, ভাঙনও রোধ করা যেত। তারা নদীর উভয়কূল রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ভাঙনকবলিত এলাকায় অনতিবিলম্বে বন্যানিয়ন্ত্রক বাঁধসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ইমরান আহমদের মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি আর্কষণ করেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
সুহেল
১০ জুলাই ২০১৯, বুধবার, ১১:২২

তাড়াতাড়ি কাজ চাই

অন্যান্য খবর