× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার

শিশুকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ করিমগঞ্জে চার ধর্ষকের যাবজ্জীবন

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ থেকে | ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৭:৫৭

 করিমগঞ্জে স্বজনদের আহত করে শিশু (১২)-কে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত চার ধর্ষক সুমন (২৮), ফারুক (৩০), রোমান মিয়া (২৬) ও হেলাল (৩২) কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১। পাশাপাশি অপহরণের ঘটনায় অভিযুক্ত চার আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া মামলার অপর অভিযুক্ত নয়ন (৩২) কে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। মঙ্গলবার বিকালে আসামিদের উপস্থিতিতে কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক কিরণ শংকর হালদার এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিতদের কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডিতদের মধ্যে সুমন করিমগঞ্জ উপজেলার আশুতিয়াপাড়া গ্রামের শহীদ মিয়ার পুত্র, ফারুক একই গ্রামের কান্দু মিয়ার পুত্র, রোমান আশুতিয়াপাড়া গ্রামেরই আবুল কাশেমের পুত্র এবং হেলাল একই গ্রামের সোনাফর মিয়ার পুত্র। অন্যদিকে খালাস পাওয়া নয়ন একই গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের পুত্র।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের গত ১১ই মে দিবাগত রাত ১টার দিকে করিমগঞ্জের আশুতিয়াপাড়া হাসান আলীর মোড়ে পার্শ্ববর্তী তাড়াইল উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের সিংধা করাতি গ্রামের ৪র্থ শ্রেণির ওই ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়। ওই সময় শিশুটির অসুস্থ মা’কে করিমগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি শেষে দুই স্বজন শিশুটিকে নিয়ে রিকশা ও ভাড়া করা মোটর সাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন।
পথে আশুতিয়াপাড়া হাসান আলীর মোড় এলাকায় আশুতিয়াপাড়া গ্রামের সুমন, ফারুক, রোমান এবং হেলাল রিকশা ও মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে। এক পর্যায়ে তারা আরো ৪/৫ জনকে মোবাইল ফোনে ডেকে আনে। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ও পিটিয়ে ওই শিশুর স্বজনদের আহত করে শিশুটিকে তারা অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ওই রাতেই রামনগর শাহ আলীর মাজারের কাছ থেকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন ১২ই মে শিশুটির মাছ ব্যবসায়ী পিতা বাদী হয়ে সুমন, ফারুক, রোমান ও হেলালের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে করিমগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ১৩ই নভেম্বর করিমগঞ্জ থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. বজলুর রহমান সুমন, ফারুক, রোমান, হেলাল ও নয়ন এই পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট এম এ আফজল এবং আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন মামলাটি পরিচালনা করেন।


অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর