× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার

ফেনীতে বেড়িবাঁধে ১০টি স্থানে ভাঙন, ১৩ গ্রাম প্লাবিত

বাংলারজমিন

ফেনী প্রতিনিধি | ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৪

ফেনীতে টানা বর্ষণ ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১০টি স্থান ভেঙে পরশুরাম ও ফুলগাজি উপজেলার অন্তত ১৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বুধবার সকালে মুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার ৮০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে মঙ্গলবার রাতে ফেনী-পরশুরাম সড়কের ফুলগাজী উপজেলা সদরের মূল সড়ক তলিয়ে গেলেও বুধবার সকালে পানি নেমে গেছে। তবে পানিতে তলিয়ে গেছে পরশুরাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জহির উদ্দিন জানান, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বুধবার সকাল পর্যন্ত মুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার ৮০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রবল পানির তোরে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বাঁধের কমপক্ষে ১০টি স্থান ভেঙে গেছে। ভাঙন ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গ্রামে মাইকিং করা হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল আলীম জানান, মুহুরী নদীর ফুলগাজী বাজারস্থ গার্ড ওয়াল তলিয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার রাতে বাজারের দোকানপাট পানিতে তলিয়ে যায়। বুধবার সকালে বাজার থেকে পানি নেমে গেলেও উপজেলার নিম্নাঞ্চল তলীয়ে গেছে। ফুলগাজীর উত্তর ও দক্ষিণ দৌলতপুর, বরইয়া ও জয়পুর গ্রাম অংশে মুহুরীর বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা, ফসলি জমি, রাস্তাঘাট, পুকুর প্লাবিত হয়েছে। এদিকে পরশুরাম উপজেলার উত্তর শালধর অংশে দু’টি, ধনিকুন্ডা, নোয়াপুর, দৌলতপুর ও কিসমত ঘনিয়া মোড়াসহ অন্তত ৬টি অংশে বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানি জমেছে শালধর, ধনিকুন্ডা, চিথলিয়া, রাজষপুর, মালিপাথর, নিলক্ষী, দেড়পাড়া, জয়পুর, কিসমত ঘনিয়ামোড়া, দূর্গাপুর, রামপুর ও পশ্চিম ঘনিয়া মোড়া গ্রামে। গ্রামের শতাধিক ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। পানিতে তলিয়ে গেছে মাছের ঘের, পুকুর ও রাস্তা-ঘাট। পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রাসেলুল কাদের বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে। সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য উপজেলায় কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করার প্রক্রিয়া চলছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর