× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার

‘চাচার জোরে নয়, আল্লাহর ইচ্ছায় খেলছি’

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:০৭

চাচার জোরে নয়, আল্লাহর ইচ্ছায় জাতীয় দলে খেলছেন- এমন কথা বললেন ইমাম উল হক। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ইনজামাম উল হকের ভাতিজা জাতীয় দলে খেলছেন ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে। টেস্ট ক্রিকেটে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে না পারলেও, ওয়ানডে ক্রিকেটে বেশ সফল পাকিস্তানের বাঁহাতি ওপেনার ইমাম উল হক। এখনও পর্যন্ত ৩৬ ওয়ানডে খেলে রান করেছেন প্রায় ৫৫ গড়ে। জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর থেকেই একটি সাধারণ বাক্য শুনতে হয় তাকে। সেটি হলো, চাচা ইনজামাম উল হকের ক্ষমতার জোরেই জাতীয় দলে খেলতে পারছেন ইমাম। এ কথার পেছনে নিন্দুকদের যুক্তি একটাই- পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ইনজামাম এখন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক। আর নিজের এ ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে স্বজনপ্রীতি দেখিয়েই ভাতিজা ইমামকে দলে নিয়েছেন তিনি।
বিশেষ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০১৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপ পর্যন্ত পাকিস্তানের সামগ্রিক পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করবে। এরপর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে প্রধান নির্বাচক ইনজামাম উল হককে পরবর্তীতে আরও দায়িত্ব দেয়া হবে নাকি এখনই বিদায় জানানো হবে।
পিসিবির এ সিদ্ধান্তের জেরে অনেকেই ইমামকে উদ্দেশ্য করে ফোঁড়ন কাটছেন যে, ইনজামামের চাকরি গেলে আর জাতীয় দলে খেলা হবে না। তবে এসবকে পাত্তা দেন না ইমাম। বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফিরে তিনি বলেন, ‘মানুষ আমার সঙ্গে তার (ইনজামাম) সম্পর্কের ব্যাপারে কী বলে বেড়ায় সেসব আমি পাত্তা দেই না। বিষয়টা আপনারা, মিডিয়াতেই বেশি বলাবলি হয়। আমাদের সাধারণ জনগণ খুবই নিরীহ। তাদের যা বলা হয়, যা দেখানো হয় তাই বিশ্বাস করে। আমি আল্লাহ্‌কে বিশ্বাস করি। আমি খেলছি কারণ আল্লাহ্‌? ঠিক করে রেখেছেন আমি জাতীয় দলে খেলবো। তবে এসব সমালোচনা আমাকে আরও শক্ত হতে সাহায্য করেছে। আমি এসবে ব্যথিত হলেও, ইতিবাচকভাবে নেয়ার চেষ্টা করি।’
২০১৭ সালের অক্টোবরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হওয়া ইমামের চলতি বিশ্বকাপটা খুব একটা ভালো কাটেনি। ১টি করে সেঞ্চুরি-হাফ সেঞ্চুরিতে ৮ ইনিংসে করেছেন ৩০৫ রান, স্ট্রাইক রেট ছিলো ৭৬.২৫। তবে পুরো ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৫৪ গড়ে তার সংগ্রহ ১৬৯২ রান। ৬ ফিফটির পাশে রয়েছে ৭টি সেঞ্চুরি।
সেমিফাইনাল খেলতে না পারলেও, বিশ্বকাপ যাত্রাকে সফল হিসেবেই উল্লেখ করেন পাকিস্তানি ওপেনার ইমাম। তিনি বলেন, আমরা অভিজ্ঞতা থেকেই শিখবো। আমি বলবো আমরা সফলই ছিলাম। নয় ম্যাচের মধ্যে ৫টাই জিতেছি এবং সেমি খেলতে পারিনি নেট রানরেটের কারণে। আমাদের ফ্যানদের মতো আমরাও খুব হতাশ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর