× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার

পাগল সেজে বিচারকের চোখ ফাঁকি দিয়ে জামিন

বাংলারজমিন

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: | ১২ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৮:১৮

গাইবান্ধা সিনিয়র জুটিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলায় কাস্টোডি হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরে পাগলের অভিনয় করে বিচারকের চোখ ফাঁকি দিয়ে জামিনে মুক্তির ঘটনা ঘটেছে। জামিনে এসে পাগল ছদ্মবেশী আব্দুল হাকিম নামের এক আসামি যৌতুক মামলার বাদী ও সাক্ষীদের মামলা তুলে নেয়ার চাপ দেয় তা না হলে প্রাণ নাশসহ উল্টো মিথ্যা মামলা দেয়ার হুমকি দিচ্ছে। ফলে মামলার আতঙ্কে বাদীর পরিবার কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। ৭ দিন অনুসন্ধানের পরে বেরিয়ে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। গত ৪ঠা আগস্ট গাইবান্ধা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনের মামলার (মামলা নং-সি আর ৯১/১৯) হাজিরার তারিখে আসামি হাকিম তার বড় ভাইয়ের পরামর্শে চেতনানাশক ইনজেকশন শরীরে পুশ করে এবং হাতে পায়ে লোহার শিকল পরে শিকলে আবার তালা ঝুলিয়ে হাজিরা দিতে আদালতে আসে। বিজ্ঞ আদালতের বিচারক শবনম মোস্তারি আসামিকে জেল হাজাতে পাঠানোর আদেশ দেন। আদেশ অনুযায়ী আসামিকে প্রাথমিক কোর্ট পুলিশের হেফাজতে আসামি গণনা করার জন্য কোর্ট চত্বরের হাজতে রাখা হয়। মামলার কাগজসহ বিকালে আসামিকে জেলা কারাগারে প্রেরণের কথা থাকলেও আসামি আব্দুল হাকিম হাজতে অন্য আসামিদের মারধর করাসহ এমন কিছু আচরণ করে যার ফলে কোর্ট চত্বরে হট্টগোল সৃষ্টি হয়।
এরপর আসামি পক্ষর অ্যাডভোকেট শাহাদুল আলম আসামিকে পাগল উন্মাদ অসুস্থ বলে জামিনের আবেদন করেন। গাইবান্ধা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক শবনম মোস্তারি সরজমিনে কোর্ট জেল হাজতে এসে আসামিকে অচেতন অবস্থায় দেখে জামিন মঞ্জুর করেন। জামিনে এসে পাগল ছদ্মবেশী আসামি আব্দুল হাকিম মামলার বাদী ও সাক্ষীদের মামলা তুলে নেয়ার চাপ দেয় তা না হলে প্রাণ নাশকের ভয় দেখিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলা দেয়ার হুমকি দিচ্ছে। মামলার বাদী সিমা বেগম জানান, জামিনে এসে আসামি আব্দুল হাকিম মোবাইল ফোনে তাকে মামলা তোলার জন্য চাপ দেয়। মামলা না তুললে উল্টো মিথ্যা মামলা দেয়ার হুমকি দেয় এবং এই মামলার সাক্ষীদের মারপিট ও নতুন মামলার আসামি করা হবে বলে ভয় দেখায়। ফলে তার পরিবার ও মামলার সাক্ষীগণ নিরাপত্তাহীনতায় আছে বলে অভিযোগ করেন।
অ্যাডভোকেট মিলা বেগম বলেন, তার জীবনে এই প্রথম কোন আসামি কোস্টোরির কয়েক ঘণ্টা পরে পাগলের অভিনয়ে জামিন পেয়েছে। এতে সাধরণ মানুষ আইনের প্রতি আস্তা হারাবে। তাই মিডিয়ার ভাইদের এই বিষয়টি অনুসন্ধান করে সত্য ঘটনা তুলে ধরার অনুরোধ করেন তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর