× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার

পাকুন্দিয়ায় ভিয়েতনামী ‘নারিকেল গ্রাম’

বাংলারজমিন

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি | ১২ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৮:৩১

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর ইউনিয়নের খামা গ্রাম এবার ভিয়েতনামী নারিকেল গ্রামের স্বীকৃতি লাভ করলো। গতকাল বেলা ১১টার দিকে খামা গ্রামের আমতলীতে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মীর নুরুল আলম ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. রফিকুল ইসলাম এ গ্রামটিকে ভিয়েতনামী নারিকেলের গ্রাম হিসেবে ঘোষণা দেন এবং এর শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. মতিউর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল হাসান আলামিন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুস সামাদ ও আঙ্গিয়াদী ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ হামিমুল হক সোহাগসহ অন্যান্য কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানীয় কৃষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে অতিথিবৃন্দ খামা গ্রামের কয়েকটি কৃষকের বাড়ি ও রাস্তার পাশে লাগানো ভিয়েতনামী নারিকেলের চারা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মীর নুরুল আলম কৃষকদের রৌদ্রোজ্জ্বল উঁচু জায়গায় চারা লাগানো ও লাগানোর পর চারার পরিচর্যা অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।
সঠিকভাবে চারা লাগানো ও পরিচর্যা করা হলে নির্দিষ্ট সময়ে অধিক ফলন পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান। এরপর ওই গ্রামের জালাল উদ্দিনের কেঁচো খামার ও আঙ্গিয়াদী টানপাড়া সিআইজিতে এআইএফটু ফান্ড হতে প্রাপ্ত বীজ সংরক্ষণ ড্রাম, পাওয়ার টিলার, এলএলপি, ফুটপাম্প, স্প্রে মেশিন পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, খামা গ্রামটি এর আগে ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল।
আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিতে এ গ্রামটি মডেল গ্রাম হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর