× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার

যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস রিভিউয়ের রায় যেকোনো দিন

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১২ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৮:৫৯

যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস’ সংক্রান্ত আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা এক আসামির আবেদন শুনানি শেষে মামলাটি যেকোনো দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন আপিল বিভাগ। গতকাল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১১ই এপ্রিল এ মামলায় চারজন অ্যামিকাস কিউরি (আদালতকে আইনি সহায়তাকারী) নিয়োগ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া অ্যাডভোকেট এএফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান ও অ্যাডভোকেট মুনসুরুল হক চৌধুরীর মতামত গ্রহণ করেন আদালত। আদালতে গতকাল অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে সর্বশেষ মতামত তুলে ধরেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও শিশির মুহাম্মদ মনির। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো মুরাদ রেজা ও মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ ও মাসুদ হাসান চৌধুরী পরাগ।
পরে আইনজীবী শিশির মুহাম্মদ মনির জানান, রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষ করে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন আদালত। ২০০১ সালে গাজীপুরে জামান নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায়ে ‘যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস’ সর্বোচ্চ আদালতের এই পর্যবেক্ষণ আসে। ওই ঘটনায় নিহতের বাবা সিরাজুল ইসলাম গাজীপুর মডেল থানায় এই হত্যা মামলা দায়ের করেন। দ্রুত বিচার আদালত ২০০৩ সালের ১৫ অক্টোবর এ মামলার রায়ে তিন আসামি আনোয়ার হোসেন, আতাউর রহমান ও কামরুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। তাদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্সও (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে। শুনানি নিয়ে ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এরপর আসামি আনোয়ার ও আতাউর সাজা কমানোর জন্য আপিল বিভাগে আবেদন করেন। কামরুল পলাতক থাকায় আপিলের সুযোগ পাননি। দুই আসামির আপিল শুনানি করে ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ, যা আমৃত্যু কারাবাস হিসেবে গণ্য হবে। সঙ্গে সঙ্গে আদালত যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাসসহ সাত দফা অভিমত দেন। ওই বছরের ২৪শে এপ্রিল আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারা ও ৪৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে আমৃত্যু কারাবাস।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর