× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার

শঙ্কামুক্ত নন এরশাদ

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৩ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৮:৫৩

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) চিকিৎসাধীন জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ভাই ও পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি সিএমএইচের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলেন, চিকিৎসকদের মূল্যায়নে সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয়। গতকাল দুপুরে জাপা চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে এরশাদের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা গণমাধ্যমকে জানান জি এম কাদের। বলেন, এরশাদের শরীরের সংক্রমণ কমে গেছে। সংক্রমণের অবস্থা অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে তার রক্তের বর্জ্য নিয়মিত অপসারণ করা হচ্ছে। লিভার এখনো পুরোপুরি কাজ করছে না।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সিঙ্গাপুরের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে সিএমএইচেই চিকিৎসা চলছে।
সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকদের পরামর্শেই তাকে বিদেশ নেয়া হচ্ছে না। সিএমএইচের চিকিৎসায় সন্তোষ প্রকাশ করে জি এম কাদের বলেন এরশাদের রোগের যে চিকিৎসা এখানে হচ্ছে, বিদেশেও একই চিকিৎসা দেয়া হত।
এসময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি ও পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়কে পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের ‘প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি’ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। জিএম কাদের সাক্ষরিত এক সাংগঠনিক নির্দেশনায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র ২০/১/ক ধারা মোতাবেক এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
শাহদাতুল ইসলাম
১৩ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৬:০৯

’জন্মিলে মরিতে হবে অমর কে কোথা কবে ... “ মহামতি এরশাদ কে ও মরিতে হবে আজ বা কাল । এরশাদ প্রেমী ও তার শুভাখান্কিদের বলব তারা যেন তার হয়ে যাদের প্রতি জুলুম অত্যাচার করেছিলেন বা জুলুম অত্যাচারে সহায়তা করেছিলেন তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতে বিশেষ করে কারাবন্দী খালেদা জিয়ার কাছে । ইহকালে এরশাদ যা ইচ্ছে তাই করতে পেরেছিল , অনেক অপরাধের বিচার এড়াতে পেরেছিল রাজনীতির কুট কৌশলে কিন্তু পরকাল , যা এরশাদের শুরু হয়ে গিয়েছে, তার জন্যে ভয়াবহ যদি না মহান আল্লাহ তাকে মাফ না করেন । আর মহান আল্লাহ তো জালেম কে ক্ষমা করেন না যতক্ষন না মজলুম রা তাকে ক্ষমা করে দেয় । তাই তার প্রেমিক বা আপনজনদের উচিত এরশাদের জন্যে ক্ষমা চাওয়া , এতে লজ্জার কিছই নেই । মানবজমিন কি আমার মতামত প্রকাশ করার মতো সাহস আছে ? তারা কি পরকাল এবং এর নিয়ম কানুন মানে ? প্রমান হবে ..

অন্যান্য খবর