× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার

ফাইনালের এক টিকিটের দামই ১৭ লাখ টাকা!

ক্রিকেট বিশ্বকাপ-২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক | ১৪ জুলাই ২০১৯, রবিবার, ৭:২৭

ফাইনালের বেশির ভাগ টিকিট ভারতীয় সমর্থকদের দখলে। সেই ভারত ফাইনালেই নেই। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ভারতীয় সমর্থকেরা টিকিটের কালোবাজারি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফাইনালের টিকিট না পেয়ে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড সমর্থকদের মধ্যে হাহাকার চলছে! কারণ ফাইনালের বেশির ভাগ টিকিট নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ফেরত না দিয়ে তোলা হয়েছে অননুমোদিত ওয়েবসাইটগুলোতে। এসব ওয়েসসাইটে ৫০ গুণেরও বেশি দাম হাঁকা হচ্ছে একেকটি টিকিটের। এরই মধ্যে স্টাবহাব নামের একটি ওয়েবসাইট কম্পটন স্ট্যান্ডের দুটি টিকিটের প্রত্যেকটির জন্য ১৬ হাজার ৫৮৪.৮০ পাউন্ড চাইছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৭ লাখ টাকা! ফাইনালের প্রতিটি টিকিটের প্রকৃত মূল্য ২৯৫ পাউন্ড। ৫০ গুণেরও বেশি দামে এখন টিকিট বিক্রির চেষ্টা চলছে।
আরো অনেক টিকিট ওয়েবসাইটটি বিক্রি করছে ৩ থেকে ৪ হাজার পাউন্ডের মধ্যে। একেকটি টিকিটের দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা! তবে এই টিকিটগুলোর প্রকৃত মালিক কে, তা জানা যায়নি। তবে ভারতীয় সমর্থকদের দিকেই অভিযোগের আঙুল।  
ভার্চুয়াল জগতের কালো বাজারে টিকিটের যে দর হাঁকা হচ্ছে, তা ধনীদের পক্ষেই কেনা সম্ভব। ফাইনালের টিকিট আইসিসি চারটি ক্যাটাগরিতে বিক্রি করেছিল: প্লাটিনাম, গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ। যার সর্বোচ্চ মূল্য ৩৯৫ পাউন্ড থেকে সর্বনিম্ন ৯৫ পাউন্ড। আইসিসির নিয়ম হলো, ব্যক্তিগতভাবে কেউ টিকিট হস্তান্তর করতে পারবে না। আইসিসি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পুনঃবিক্রয়ের সুযোগ (রিসেল প্লাটফরম) রয়েছে। যার মাধ্যমে টিকিট ক্রয়কারী চাইলে নিজের টিকিট বৈধ প্রক্রিয়ায় অন্য কারও কাছে বিক্রি করে দিতে পারেন। এ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৭০ হাজারেরও বেশি টিকিট এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হাতবদল হয়েছে। কিন্তু ভোক্তাদের অভিযোগ, আইসিসির এই টিকিট রিসেল প্রক্রিয়ায় ঝক্কি আছে অনেক। প্রায় সময়ই পেজ ক্যাশসহ বেশ কিছু সমস্যার কারণে অনেক সমর্থক আইসিসির রিসেল প্লাটফরমের বদলে আনঅফিশিয়াল রিসেল সাইট ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন।
তবে আইসিসির দাবি, বেশি টাকার লোভেই সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের অনেক টিকিট অবৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে। এর আগে আইসিসি বেশ হুমকি-ধমকি দিয়েছে এভাবে টিকিট কেনা কিংবা বেচা দুটিই অনিয়ম। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু কার্যত আইসিসি এখন পর্যন্ত তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্টিল এলওর্দি বলেছেন, যুক্তরাজ্যের প্রচলিত আইনের কারণে আইসিসি নিরুপায়। তবে যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে এসব টিকিট বিক্রি হচ্ছে, দেখা মাত্রই আইসিসি সেসব অ্যাকাউন্ট বাতিল করে দিচ্ছে। এভাবে টিকিট কিনলে পকেট ফাঁকা হওয়ার পাশাপাশি মাঠে ঢুকতে না-পারার ঝুঁকি থাকছে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। এমন হুমকি-ধমকি সেমিফাইনালের আগেও দিয়েছিল আইসিসি। ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনালেরও সিংহভাগ টিকিট ছিল ভারতীয়দের দখলে। এমনও আশঙ্কা করা হয়েছিল, গ্যালারি ফাঁকা না থেকে যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গ্যালারি প্রায় পূর্ণই ছিল। ফলে ওই টিকিটগুলো কোনো না কোনোভাবে হাত বদল হয়েছে। ফাইনালের টিকিটও একইভাবে হাতবদল হচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর