× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার

হাসিনা-লি বৈঠক, ৩ চুক্তি সই

অনলাইন

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ১৪ জুলাই ২০১৯, রবিবার, ৬:২৪

কূটনীতি, বাণিজ্য-বিনিয়োগ এবং সংস্কৃতি বিনিময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের ৩টি চুক্তি সই হয়েছে। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সফররত কোরীয় প্রধানমন্ত্রী লি নাক-ইয়নের আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর ওই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এর আগে বিকাল সোয়া ৪টা থেকে দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীণ বাংলাদেশ ও কোরীয় প্রতিনিধি দলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং চুক্তি সই হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস। বাসসের রিপোর্ট মতে, দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ঢাকা-সিউল বিদ্যমান সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই নতুন ৩ চুক্তি সই হয়।

চুক্তিগুলো হচ্ছে- (এক) কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিপ্লোমেটিক একাডেমি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরেন সার্ভিস একাডেমির মধ্যে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা। দুই. বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষে কোরীয় ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সি এবং বালাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মধ্যে সমঝোতা। তৃতীয় এবং সর্বশেষ হচ্ছেÑ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ২০১৯-২৩ সাল পর্যন্ত সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক।
দক্ষিণ কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী লী তায়েহো এবং বাংলাদেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমির প্রিন্সিপাল সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খন্দোকার কূটনীতি বিষয়ক সমঝোতায় সই নিজ নিজ দেশের পক্ষেই সই করেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমঝোতায় সই করেন এ সংক্রান্ত কোরীয় এজেন্সির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়ং ওহ এবং বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল হক। আর সংস্কৃতি বিনিময় সংক্রান্ত সমঝোতায় নিজ নিজ দেশের পক্ষে সই করেন কোরীয় উপ-পররষ্ট্রমন্ত্রী লী তায়েহো এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মোস্তাফা কামাল।

দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার ৩ দেশ সফরের অংশ হিসাবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী লি নাক-ইয়ন তিন দিনের সরকারি সফরে শনিবার বিকালে বাংলাদেশে আসেন। ঢাকায় তাকে লাল গালিচায় বরণ করা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবুল মোমেন বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান। সেখানে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল কোরীয় প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অর্নার প্রদান করে। কোরীয় প্রধানমন্ত্রীর অফিসের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে খবরে বলা হয়, ‘সিউলের বহুমুখী কূটনৈতিক কৌশলের আওতায় মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে লী এই সফর করছেন। সফরের প্রথম দিনে দক্ষিণ কোরীয় প্রধানমন্ত্রী হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ঢাকায় থাকা কোরীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সাথে নৈশভোজে অংশ নেন।

সফরকালে তিনি এই হোটেলেই থাকছেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে (আজ) সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর তিনি সাভার ইপিজেড এ ইয়াংওয়ান হাইটেক স্পোর্টসওয়্যার ও ঢাকার মুগদাপাড়ায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এডভান্স নার্সিং এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ পরিদর্শন করবেন। এর আগে দুপুরে লী ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এফবিসিসিআই ও কেআইটিএ আয়োজিত বাংলাদেশ- কোরিয়া বিজনেস ফোরামে বক্তৃতা করেন। সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মো. আব্দুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তার সম্মানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেবেন। সোমবার ঢাকা ছাড়ার আগে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে তার শ্রদ্ধা নিবেদনের কথা রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর