× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার

সেই মাদ্রাসা প্রধান মাওলানা আল আমিন ফের ৫ দিনের রিমান্ডে

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ থেকে | ১৫ জুলাই ২০১৯, সোমবার, ৯:৩৪

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১২ মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া মাদ্রাসা প্রধান মাওলানা আল আমিনকে দ্বিতীয় দফায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিল্টন হোসেনের আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাকে হাজির করা হয়। পরে শুনানি শেষে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৭ই জুলাই ডিজিটাল নিরাপত্তা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ মামলায় পুলিশ তাকে ৫দিনের রিমান্ডে নেয়। পরে সে ১১ই জুলাই ১৬৪ ধারায় নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কাউসার আলমের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পর্নোগ্রাফিতে আসক্তি হয়েই একের পর এক কোমলমতি মাদ্রাসা ছাত্রীদের ধর্ষণ করেছে বলে সে আদালতে স্বীকার করে। আদালতকে সে আরো জানায়, গত এক বছর যাবৎ মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটে পর্নো ভিডিও দেখা শুরু করে সে। মূলত এরপর থেকেই তার মনে কু-চিন্তার উদ্রেগ হয়।
এরপরই সে তার কক্ষে টার্গেট করা ছাত্রীদের বিভিন্ন উছিলায় ডেকে নিতো।
এরপর রুমে নিয়ে তাদের কারো সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতো, আবার বস্ত্রহীন করে কারো স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিতো। এভাবে সে মাদ্রাসার দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১২ ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এ ছাড়া মাদ্রাসার অনেক ছাত্রীর ছবির সঙ্গে পর্নো ভিডিও জোড়া দিয়ে তা দেখিয়ে অনেক ছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করতো। গত ৪ঠা জুলাই ফতুল্লার ভূঁইগড় মাহমুদপুর পাকার মাথায় বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে মাওলানা আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলেপ দিনের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি টিম। আল আমিন ওই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক। এ সময় অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের মোবাইল ও কম্পিউটার থেকে একাধিক অশ্লীল ছবি ও পর্নোভিডিও জব্দ করে র‌্যাব। পরে এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে আরেকটি মামলা করা হয়। মাওলানা আল আমিন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ভূঁইয়াপাড়া এলাকার রেনু মিয়ার ছেলে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর