× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার

এরশাদের দাফন নিয়ে হার্ডলাইনে উত্তরবঙ্গ জাপা

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ১৫ জুলাই ২০১৯, সোমবার, ৩:১৩

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন নিয়ে হার্ডলাইনে উত্তরবঙ্গ জাতীয় পার্টি। যেকোনো মূল্যে রংপুরে দাফন করার ঘোষণা দিয়েছে দলটির রংপুর ও রাজশাহী- এই দু’বিভাগের নেতাকর্মীরা। প্রয়োজনে জীবন দিয়ে হলেও মরদেহ রংপুর থেকে নিয়ে যেতে দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তারা।

একইসঙ্গে ঢাকা সেনা কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে নেতাকর্মীরা। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় রংপুরে অনুষ্ঠিত জাতীয় পার্টির উত্তরবঙ্গ প্রতিনিধি সভায় এ ঘোষণা দেয়া হয়।

নগরীর সেন্ট্রাল রোডের দলীয় কার্যালয়ে পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি কার্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার সভাপতিত্বে সভায় দুই বিভাগের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা মেয়র বলেন, জীবদ্দশায় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে  কোনোদিন ভালোভাবে রাজনীতি করতে দেয়া হয়নি। মৃত্যুর পরও তাকে এবং তার দলকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করতে এবং দলকে নিশ্চিহ্ন করতে সামরিক কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্মৃতি বিজড়িত রংপুর নগরীর দর্শনা মোড়ের পল্লীনিবাসেই তার অসিয়তকৃত জায়গায় দাফন করা হোক।
যদি না হয় তাহলে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগীয় জাতীয় পার্টি প্রয়োজনে জীবন দিয়ে হলেও মরদেহ রংপুর  থেকে ঢাকায় নিয়ে যেতে দেবে না।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় তিন নেতার সমাধির পাশে দাফন হলে কিংবা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে জাতীয় নেতার স্বীকৃতি দিলে আমাদের আপত্তি থাকত না। অথচ এসব না করে একটা আবদ্ধ জায়গায় দাফনের সিদ্ধান্তের বিষয়টি গভীর যড়যন্ত্রের অংশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজার খোলা জায়গায় হওয়ার বিষয়টিও এ সময় উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন সিটি মেয়র।

সভায় সাবেক সংসদ সদস্য শাহানারা বেগম, কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রংপর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসীর, কেন্দ্রীয় জাপার সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আবদুর রাজ্জাক, গাইবান্ধা জেলা জাপার আহ্বায়ক আবদুুর রশীদ সরকারসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল রোববার ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে হেলিকপ্টার যোগে তার মরদেহ রংপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় রংপুর ঈদগাহ মাঠে তার শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে এরশাদের মরদেহ আবার হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় নিয়ে এসে বাদ যোহর সেনা কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর