× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ আগস্ট ২০১৯, মঙ্গলবার

পানি পান করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, মৌলভীবাজার থেকে | ১৭ জুলাই ২০১৯, বুধবার, ৯:৫২

কুলাউড়ায় বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে পানি পান করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে পঞ্চম শ্রেণির (১৪) এক ছাত্রী। অপরদিকে ১০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এক চা শ্রমিক কন্যাকে (৮) ধর্ষণের চেষ্টা করে এক সন্তানের জনক। জানা যায় উপজেলার পৃথিমপাশার একটি বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে পানির পিপাসা পায় ওই ছাত্রীর। ওই ইউনিয়নের গণকিয়া গ্রামের হারিছ আলীর বাড়িতে পানি পান করতে গিয়ে হারিছ আলীর ছেলে আহাদ মিয়া কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয় ওই ছাত্রী। এদিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি চা বাগানের বস্তিতে ১০ টাকা প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিবেশী এক সন্তানের জনক ধর্ষণের চেষ্টা করে ৮ বছরের চা শ্রমিক কন্যাকে। ঘটনা দুটিকে স্থানীয়ভাবে আপস নিষ্পত্তির মাধ্যমে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়।

বিষয়গুলো চাউর হলে অবশেষে ধর্ষণের শিকার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর মা একই ইউনিয়নের গণকিয়া গ্রামের হারিছ আলীর পুত্র সিএনজি অটোরিকশাচালক আহাদ মিয়াকে (২৩) আসামি করে কুলাউড়া থানায় গত ১৪ই জুলাই  রাতে ধর্ষণ মামলা করে। পরদিন ১৫ই জুলাই রাতে চা শ্রমিক কন্যার মা চা বাগান বস্তির বাসিন্দা প্রেমা রাজভরের পুত্র খোকন রাজভরকে আসামি করে ধর্ষণ চেষ্টা মামলা করেন। পৃথক এই দুটি মামলার আসামি আহাদ মিয়া ও খোকন রাজভরকে এখনো আটক করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্র থেকে জানা যায়, ঘটনার দিন গত ১৯শে জুন ওই ছাত্রী বিদ্যালয় থেকে বিকাল ৩টার দিকে বাড়ি ফিরছিল। পথিমধ্যে পানির তৃষ্ণা পেলে ওই কিশোরী গণকিয়া গ্রামের হারিছ আলীর বাড়িতে পানি পানের জন্য যায়। ঘরে থাকা হারিছ আলীর বড় ছেলের বউ ওই কিশোরীকে পানি দিয়ে গৃহস্থালীর বাসন ধোয়ার জন্য বাড়ির পাশে পুকুরে চলে যান। পানি পান শেষে ওই কিশোরী ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ঘরে থাকা হারিছ আলীর ছোট ছেলে আহাদ মিয়া কিশোরীকে ঘরের ভেতরে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আহাদ ওই কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে বলে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য। বাড়ি ফিরে ওই কিশোরী তার মাকে বিষয়টি খুলে বলে।

পরে কিশোরীর মা বাবা আহাদের বাবা হারিছ আলীকে জানান। হারিছ আলী বিষয়টি পারিবারিক সমাধানের চেষ্টা করেন এবং সময়ক্ষেপণ করেন। পরে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এদিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি চা বাগান বস্তিতে স্বামী  ও বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু কন্যা এবং ৩ বছরের শিশু পুত্রকে নিয়ে বসবাস করেন এক চা শ্রমিক নারী। ঘটনার দিন শুক্রবার শিশু মেয়ে ও পুত্রকে ঘরে রেখে বাগানের কাজে চলে যান ওই চা শ্রমিক নারী। তার স্বামী দুপুরে কাজে চলে যান পান পুঞ্জিতে। এ সুযোগে পার্শ্ববর্তী ঘরের শিশুকন্যাকে ঘরে ডেকে নিয়ে যায় প্রতিবেশী এক সন্তানের জনক খোকন রাজভর। ১০ টাকার দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিশুকন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় খোকন। কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়ারদৌস হাসান মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে  বলেন, পৃথক দুটি মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর