× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ আগস্ট ২০১৯, রবিবার

এরশাদের কুলখানি অনুষ্ঠিত

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:৩৫

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, তিনি শুধু আমার বড় ভাই ছিলেন না। আমার পিতার সমান ছিলেন। তার হাত ধরে পড়ালেখা শিখেছি, ওনি আমার শিক্ষক ছিলেন। প্রথম তার কোলে চড়ে সিনেমা দেখেছি। গতকাল বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে এরশাদের কুলখানিতে তিনি এসব কথা বলেন।
জিএম কাদের বলেন, এরশাদ আমাকে হাতে ধরে রাজনীতিতে এনেছেন। রাজনীতির নানা উত্থান-পতন কীভাবে সামলাতে হয় তা শিখিয়েছেন। কিভাবে সংকট মোকাবিলা করতে হয় দেখিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জি এম কাদের বলেন, আমার ভাই যখন হাসপাতালে তখন প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত খোঁজ খবর নিয়েছেন।
সম্মিলিত সমারিক হাসপাতালের ডাক্তাররা রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন।ওনারা নিজের বাবার মতো করে সেবা করেছেন। তাদের প্রতিও আমরা কৃতজ্ঞ।
আজাদ মসজিদের সভাপতি ও স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, এই দোয়া অুনষ্ঠানে এরশাদের স্বজন ও নেতাকর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন। এরশাদ কোন কোন ক্ষেত্রে সফল ছিলেন তা বিচারের দিন আজ নয়। আমি তার সঙ্গে রাজনীতি করিনি তবে তার সঙ্গে অনেক সভা-মাবেশ করেছি। তাকে আমি মুগ্ধচিত্তে দেখেছি। তার যে দেশপ্রেম ছিল তাতে আমি মুগ্ধ। তার প্রতি মানুষের যে ভাপলবাসা তাতে এটা বলতে পারি তার রাজনীতি না করলেও হত। এরশাদ কোমল হৃদয়ের ও অত্যন্ত ভদ্র মানুষ ছিলেন। তার জন্য জান্নাতের প্রার্থনা করছি।
আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ বলেন, রাজনীতিতে মত ও পথের অমিল ছিল। কিন্তু আমি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে শ্রদ্ধা করতাম। তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। এরশাদ একজন বিনয়ী মানুষ ও মার্জিত স্বভাবের অধিকারী ছিলেন।
এরশাদের কুলখানিতে আত্মীয়-স্বজন ও পার্টির নেতাকর্মী ছাড়াও নানা শ্রেনী পেশার মানুষ অংশ নেয়। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক চীফ হুইপ আসম ফিরোজ, সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী এবিএম গোলাম মোস্তফা, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, জাতীয় পার্টি (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। জাপা নেতাদের মধ্যে ছিলেন পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ, সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, বর্তমান মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কাজী ফিরোজ রশিদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, লিয়াকত হোসেন খোকা, গোলাম কিবরিয়া টিপু এমপি, অ্যাডভোকেট শেখ সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল ইমাম, মুজিবুল হক চুন্নু, হাবিবুর রহমান, এস এম ফয়সল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, মাহমুুদুল ইসলাম চৌধুরী, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, মো. আজম খান, এটিইউ তাজ রহমান, সোলায়মান আলম শেঠ, আতিকুর রহমান আতিক, নাসরিন জাহান রতনা, মেজর মো. খালেদ আখতার (অব.), লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর