× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার

মাত্র তিন মাস বাড়লো তসলিমা নাসরিনের ভিসার মেয়াদ

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১২:২৭

বাংলাদেশের লেখিকা তসলিমা নাসরিনের ভারতে থাকার ভিসার (রেসিডেন্স পারমিট) মেয়াদ এতদিন এক বছর করে বাড়ানো হলেও এবার তা মাত্র তিন মাস বাড়িয়েছে ভারত সরকার। এক টুইটে তসলিমা জানিয়েছেন, ভিসার মেয়াদ এত অল্প সময় বাড়ানোয় বিস্মিত হয়েছেন তিনি। আপাতত তিনি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে দিল্লিতেই থাকছেন বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার পর থেকে তসলিমা বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। এর মধ্যে ভারতেই দীর্ঘ সময় ধরে থাকছেন তিনি। গত ২০ বছরে আমেরিকা ও ইউরোপেও থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে। ইতিমধ্যেই তিনি ভারত সরকারের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদনও করেছেন।

ভারতে তসলিমার ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২৭ জুলাই। তার আগেই তিনি নবায়নের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে তসলিমা মঙ্গলবার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উদ্দেশ্য করে একটি টুইট করেন।
এরপরই তসলিমার পারমিটের মেয়াদ তিন বাড়ানোর ঘোষণা আসে।

বুধবার ফের আরেকবার টুইটে  তসলিমা বলেছেন, আমি প্রতিবছরই ৫ বছরের জন্য আমার রেসিডেন্স পারমিট বাড়ানোর আবেদন করি। কিন্তু প্রতিবারই তা এক বছরের জন্য বাড়ানো হয়। কিন্তু এবার তা মাত্র তিন মাসের জন্য বাড়ানোয় আমি বিস্মিত হয়েছি।
এই মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্র্বিবেনার জন্য ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। তসলিমা জানিয়েছেন, ভারতই আমার একমাত্র ঘর। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন, পূর্ববর্তী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং তাকে ৫০ বছরের পারমিট দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তসলিমাকে অবশ্য এই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে আগেও। একসময় তার ভিসার মেয়াদ মাত্র দু’মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছিল। তখন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি।

তসলিমা বর্তমানে সুইডেনের নাগরিক। ২০০৪ সাল থেকে তিনি ভারতে থাকার রেসিডেন্স পারমিট পেয়ে আসছেন। একসময় কলকাতাতেই স্থায়ীভাবে থাকার পরিকল্পনা করেছিলেন নির্বাসিত এই লেখিকা। ইসলাম নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য মুসলিম ধর্মগুরুদের ফতোয়াও ঘোষিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে। বামফ্রন্ট আমলে তার লেখা আত্মজৈবনিক একটি বই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে আবশ্য আদালতের নির্দেশে তা তুলে নেয়া হয়। তবে ২০০৪ সালে তসলিমাকে বিতাড়নের দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ইদ্রিশ আলির নেতৃত্বে এক হিংসাত্মক আন্দোলনের পরিণতিতে তসলিমাকে রাজ্য ছাড়া করেছিল বামফ্রন্ট সরকার। তার পর থেকে আর তিনি কলকাতায় ফিরে আসতে পারেননি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর