× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ আগস্ট ২০১৯, মঙ্গলবার

ব্যাগে শিশুর মাথা বহনকারী যুবককে পিটিয়ে হত্যা

শেষের পাতা

নেত্রকোনা প্রতিনিধি | ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৯:৪২

নেত্রকোনা শহরে প্রকাশ্যে শিশুর গলাকাটা মস্তক নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর ঘটনায় অজ্ঞাত এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছে। এলাকাবাসী জানায়, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অজ্ঞাত এক যুবক বারহাট্টা রোডস্থ শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ের সামনে মেথরপট্টিতে মদ পান করার পর মাতলামি করার সময় তার ব্যাগ থেকে একটি শিশুর গলাকাটা মস্তক মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় স্থানীয় জনতা তা দেখে ফেলে। মুহূর্তে  খবরটি আশেপাশে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত শত শত জনতা ওই যুবককে ধাওয়া করে নিউটাউন পঁচা পুকুর পাড়ে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলে। খবর পেয়ে পুলিশ পুকুর পাড় থেকে শিশুর গলাকাটা মস্তক এবং অজ্ঞাত যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এ খবর শহরে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবক মহলে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উৎসুক জনতা শিশুর গলাকাটা মস্তক এবং শিশু হত্যাকারীর লাশ দেখার জন্য পুকুর পাড়ে ভিড় জমায়। এ সময় উৎসুক জনতার ভিড় সামাল দিতে পুলিশকে গলদঘর্ম হতে হয়।


ফেসবুকে গলাকাটা শিশুর ছবি মুহূর্তে ভাইরাল হলে খবর পেয়ে কাটলী এলাকার রিকশাচালক রইস উদ্দিন থানায় গিয়ে জানায়, গলাকাটা শিশুটি তার পুত্র সজীবের। তার বয়স ৮ বছর। গতকাল বেলা ১১টার দিকে সজীব তার কাছে আইসক্রিম খাবার জন্য ৫টি টাকা চায়। কিন্তু হাতে টাকা না থাকায় তিনি সে সময় সজীবকে আইসক্রিম খাওয়ার টাকা দিতে পারেনি। নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শিশুটির পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে শিশু হন্তারককে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলায় শিশুটির বাকি দেহ কোথায় আছে এবং কি কারণে শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে- তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Ashraf Hussain
১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ১:৫৩

তথ্য সব নিয়ে অকে শাস্তি দেওয়া দরকার ছিল।

মোঃ ইউছুপ চৌধুরী
১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:৩০

পিটিয়ে মেরে ফেলার এই জঘন্য সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। কারণ এতে প্রকৃত ঘটনা এবং বাকি অপরাধিরা আড়ালে থেকে যাচ্ছে।

অন্যান্য খবর