× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ আগস্ট ২০১৯, মঙ্গলবার

ব্যাংক চান ডিসিরা

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৯:৪৩

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা একটি ব্যাংক করতে পারি কিনা সেটা তারা (ডিসি) প্রস্তাব দিয়েছেন। সেটা আমরা বিবেচনা করবো বলেছি। মোট ২৬টি প্রশ্ন তারা করেছেন। গাড়ির তেল বরাদ্দের সীমা আরেকটু উপরে ওঠানো যায় কিনা, সেটা বলেছেন। একেবারে নিচের পদগুলোর পদোন্নতির ব্যবস্থা করা যায় কি না, 
এমন নানা ধরনের প্রশ্ন তারা করেছেন। যেগুলো যৌক্তিক আমরা সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো বলে জানিয়েছি। গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের চতুর্থ দিনের সপ্তম অধিবেশন শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ কার্য অধিবেশন হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।
সরকারের সব দফতর যদি এভাবে ব্যাংক চায় সেটা যৌক্তিক কি না- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চাইতেই পারে। যেকোনো সংস্থা চাইতেই পারে। চাওয়ার অধিকার আছে। জনপ্রশাসনের ৫ হাজার কর্মকর্তা কাজ করছেন। এছাড়া যারা সাবেক আছেন, তারাও সম্পৃক্ত হতে পারেন। যদি দেশের জন্য কল্যাণকর হয়, সেটা অবশ্যই করা যাবে। আর যদি কল্যাণকর না হয় সেটা বিবেচনার দায়-দায়িত্ব সরকারের। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণশুনানি আরও কত চৎকারভাবে করতে পারি সেটা বলেছি। বলেছি, কোনো কর্মকর্তার যদি কোনো ক্রুটি থাকে, তাদের ডেকে নিয়ে মাঝে মাঝে বসে কীভাবে সংশোধন করে দেয়া যায়, সেই বিষয়ে বলেছি। তিনি বলেন, অফিসগুলোকে আমরা পুরোদমে ডিজিটালাইজড করতে পারি, সেই বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছি।

জেলা হাসপাতালগুলোকে দালাল ও দুর্নীতি-অনিয়মমুক্ত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়েছি। পাসপোর্ট অফিসে তাদের নজরদারি আরও বাড়াবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নজরদারি বাড়ানো, লেখাপড়ার মান উন্নয়নে তারা যেন ব্যবস্থা গ্রহণ করে, সেজন্য আমরা নির্দেশ দিয়েছি। জেলা-উপজেলার সরকারি অফিসে সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনও মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে, সেক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চেয়েছেন কি না- জানতে চাইলে ফরহাদ হোসেন বলেন, অবশ্যই অগ্রগতি দেখতে চেয়েছি। আমরা বলেছি, যেখানে অনিয়ম তা প্রথমে শনাক্ত করা প্রয়োজন। সেক্ষত্রে আমরা জানি কিছু কিছু জায়গা আছে। যেরকম আছে আমাদের এসি ল্যান্ডের অফিসে, আমি বলেছি- মিউটেশন বা নাম খারিজ করার জন্য বিষয়গুলো আরও দ্রুততার সঙ্গে কীভাবে করতে পারি। সেটা ডিজিটালাইজেশনের ব্যবস্থা আমরা দ্রুত করতে পারি, সেজন্য তারা নজর দেবেন ও বলবেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন কর্মকর্তা দুর্নীতি বা অনিয়মের সাথে যুক্ত থাকলে, তাদের তলব করবেন, বলবেন। প্রথমে সংশোধন করার চেষ্টা করবেন। আর যদি না হয় অবশ্যই আমাদের যে বিভাগীয় ব্যবস্থা, আইনগত ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করবেন।

তিনি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে তাদের জন্য কিছু নির্দেশনা ছিল- আমরা চেয়েছি গত নির্বাচনে সরকারের ইশতেহারে ছিল যে আমরা দুর্নীতিমুক্ত জনপ্রশাসন গড়ে তুলবো। জনকল্যাণমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তুলব। সেই কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু করেছি। গত ১০ বছরে এই সরকার মাঠ পর্যায়ে জনপ্রশাসনকে জনগণের খুব কাছাকাছি নিয়ে গেছে। ফরহাদ হোসেন বলেন, আমরা ডিসিদের অফিসগুলো সুন্দর করে সাজিয়েছি। তাদের লজিস্টিক সাপোর্ট ইতোমধ্যে দিয়েছি, আর কিছু আমরা দিচ্ছি। উন্নয়ন কর্মকান্ড অনেক বেড়ে গেছে সেজন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজ অনেক বেড়ে গেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আনিস উল হক
১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৭:৩৭

ডিসিরা হোল জাতির জামাই।তাই রাস্ট্রের উচিৎ তাদের সব আব্দার পূরণ করা।যেন থাকে তারা সদা আনন্দে।

Rose
১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ২:২০

পারলে চাঁদে র দেশে একটি করে বাড়ি র চিন্তা ও করা যায়

অন্যান্য খবর