× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার

আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন মিন্নি

অনলাইন

মো. মিজানুর রহমান, বরগুনা থেকে | ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৮:১২

রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে পাঁচদিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার আগেই আদালতে তোলা হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৫টার সময় বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে তোলা হয় তাকে। হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মিন্নি। জবানবন্দি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রিফাত হত্যা মামলায় প্রথমে সাক্ষী থাকলেও পরে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনার সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. হুমায়ুন করিব বলেন, মিন্নি রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাসা থেকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরসহ মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পুলিশ লাইন্সে নিয়ে যায় পুলিশ। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এরপর বুধবার বিকেল ৩টার দিকে বরগুনার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিন্নিকে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।
পরে শুনানি শেষে মিন্নির পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী।

রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১৬ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে মিন্নিসহ ১৩ জন অভিযুক্ত রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া এ মামলার দুইজন অভিযুক্ত রিমান্ডে রয়েছেন। আর এ মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Manik
১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ১০:৩১

I dont is it true or fals but i think something wrong . I think she is not madarar

এনায়েত করিম
১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ১০:২১

শেষপর্ন্ত মিন্নিই বলির পাঠা হয়ে যায় কিনা!

Md. Fazlul hoque
১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৯:৩২

প্রকৃত ঘটনা না জেনে মিন্নির পক্ষে সাফাই গাওয়া উচিত নয় । ভিডিও ফুটেজ ও পারিপাশ্বির্ক আলামত দেখে মনে হচ্ছে মিন্নির যোগাযোগ ছিল বন্ড গ্রুপের সংগে এবং সামাজিক অস্থিরতার এই যুগের মিন্নি রা স্বামী ও পরকীয়া দুটিতে জড়িয়ে পড়ে বিবেক হারিয়ে ফেলেন যার ফলশ্রুতি তে এ ধরনের incident গুলো ঘটে । মিন্নি হয়ত রিফাত কে খুন করতে চায়নি কিন্তু রিফাতের উপর হামলার ঘটনায় মিন্নির সংশ্ষ্টিতা যে আছে এটি একজন আক্কেল জ্ঞান সম্পন্ন মানুষের বুঝতে অসুবিধা হবার কথা নয় ।

Miah
১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৮:৪৬

All made by police she is not a madarar

নুরুল আজম খান
১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৯:২৯

পুলিশের হাতে পড়লে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে প্রায় সবাই দিতে বাধ্য হন। অতএব, মামলার এই পর্যায়ে মিন্নি বা অন্যান্য আসামীগন কি স্বীকার করল বা না করল তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তদন্তে ও বিচারে যা প্রকাশ পাবে তাই সঠিকস বলে ধরতে হবে।

Ahmed Babla Malak
১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৮:১৭

মিন্নি যে শিকার উক্তি দিবে এটা সবাই জানত।রিমান্ডে কোন মানুষটি শিকার উক্তি দেয়নি। বেঁচে গেলেন গডফাদার গন।

ম নাছিরউদ্দীন শাহ
১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ৭:৪২

জবান বন্দি মিন্নি দিতে বাধ্য। কত তাড়াহুড়ো করে জবানবন্দি করা হলো। পুলিশের মাথার উপর থেকে পাহাড় নেমেছে। পারলে রাতে অস্ত্র উদ্ধার নামে। ফাইনাল খেলা চালিয়ে দাও। কারন মিন্নির পক্ষে এম পি নাই রাজনৈতিক নেতা নাই আইন শৃংখলা বাহিনী নাই। মিন্নির বাবার টাকা নাই । আমরা সবাই বেকুপ কিছুই বুঝিনা। সাবাস বরগুনার প্রশাসন বরগুনার জনসাধারণ। প্রকাশ্য দিনের আলোতে সংঘটিত হত্যার কাহিনী রাজনীতি অর্থের কাছে প্ররাজিত সব দোষ মিন্নির এবার ফাসির মন্চে নিয়ে য়াও। আল্লাহ বিচার থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। পকৃত বিচারপতি মহান আল্লাহ।

অন্যান্য খবর