× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার

নরসিংদী আদালতে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি

বাংলারজমিন

নরসিংদী প্রতিনিধি | ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৮:২৪

কুমিল্লার আদালতে হত্যাকাণ্ডের রেশ যেতে না যেতেই নরসিংদী আদালতে সংঘটিত দুটি ঘটনায় বিচারকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। আদালতের বিচারক এবং বিচার সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য নরসিংদী জজ কোর্ট ভবনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলেও আতঙ্ক কাটেনি। দেখা যায় আদালতের বাড়তি নিরাপত্তা হিসেবে আদালতে যাতায়াতকারী লোকজনদের বেগ ও দেহ তল্লাশি করছে পুলিশ। নরসিংদী চিফ জুডিশিয়াল আদালতে পরপর দুটি ঘটনা এবং কুমিল্লার আদালতে প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের কারণে আদালতসমূহের বিচারকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বুধবার দুপুরে এমন তথ্যই সাংবাদিকদের জানিয়েছেন নরসিংদী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) গোপাল চন্দ্র দাস। বর্তমানে আদালতের বিচারকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আতঙ্কগ্রস্ত এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও তিনি জানান।
আদালতের অনুলিপি বিভাগের তুলনা সহকারী প্রদীপ কুমার দাস জানিয়েছেন, গত ১৪ই জুলাই রাতে কে বা কারা আদালতের অফিস কক্ষের জানালার একটি পার্ট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করে। ১৫ই জুলাই সকালে অফিস সহায়ক এরশাদ রুমে তালা খুলে গিয়ে দেখেন অফিসের জানালার একটি পার্ট ভাঙ্গা। অফিস সহায়ক সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি প্রদীপ কুমার দাসকে জানালে তিনি দ্রুত সেখানে গিয়ে দেখেন কে বা কারা জানালার পার্ট ভেঙে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছে।
এভাবে আদালতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। এ ব্যাপারে সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়। ডায়েরিতে তিনি লিখেছেন, দুর্বৃত্তরা তার অফিসের যেকোনো সময় ক্ষতিসাধন করতে পারে। এ অবস্থায় তিনি আতঙ্কগ্রস্ত এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এর আগে গত ১১ই জুলাই ঘটেছে আদালতে দ্বিতীয় ঘটনা। নরসিংদী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম চলাকালীন আব্দুস সাত্তার নামে এক ব্যক্তি আদালতের দরজার সামনে ব্যাপক হৈ-হুল্লোড় করে। এতে আদালতে কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। আদালতে উপস্থিত লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এজলাসে বসা অবস্থায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন। পুরো আদালতে এক অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। এই অবস্থায় নরসিংদী থানা পুলিশের এস আই মজিবুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে হৈ-হুল্লোড়কারী আব্দুস সাত্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। আটক আব্দুস সাত্তার কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আব্দুস সাত্তার নরসিংদী জেলা শহরের পশ্চিম দত্তপাড়ার মোশারফ হোসেনের পুত্র। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করে তার বিরুদ্ধে একটি নন এফআইআর প্রসিকিউশন তৈরি করে বিচারের জন্য পুনরায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর