× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার

দুর্নীতিকে দুর্নীতি হিসেবেই দেখব- ওবায়দুল কাদের

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৯:৩০

দুর্নীতিকে দুর্নীতি হিসেবেই দেখব বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেছেন, সরল বিশ্বাস বলতে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা আমাকে জানতে হবে। তবে দুর্নীতি দুর্নীতিই। এটা অন্যভাবে দেখার উপায় নেই। গতকাল আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন। বলেন, সারা দুনিয়ায় দুর্নীতি হচ্ছে। তবে কোথাও বেশি কোথাও কম। কিছু পলিটিক্যালি মোটিভেটেড হচ্ছে।
কোনো নেতাকে যদি কেউ দেখতে না পারে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির ছাপটা লাগিয়ে দেয়।

জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি প্রধান বিরোধী দল, সংসদে তাদের অনেকগুলো আসন আছে। জনগণ তাদের ভোট দিয়ে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধি করে পাঠিয়েছে। এরশাদের অবর্তমানে তাদের দলীয় রাজনীতি ও সাংগঠনিক রূপ কী হবে, এটা তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। রাজনীতিতে তারাই টিকে থাকবে, যারা সময়োপযোগী রাজনীতি চর্চা ও যুগোপযোগী রাজনীতি করবে। বন্যা মোকাবিলায় দল ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকার আন্তরিকভাবে বন্যা মোকাবিলায় কাজ করছে। আজকেও জামালপুর ও গাইবান্ধায় আমাদের প্রতিনিধি গিয়েছেন।

আমাদের টিম বন্যাদুর্গত এলাকায় যাচ্ছে। মেগা প্রকল্পের নামে লুটপাট করছে সরকার-বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা তো কোনো দিন উন্নয়ন করেনি। উন্নয়নের রোল মডেলের কী বুঝবেন ফখরুল সাহেবরা? ওনারা তো কালো চশমা পরেন। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন চোখে দেখেন না। তারা নির্বাচনী ইশতেহারে যে ভিশন-২০৩০ ঘোষণা করেছিল, সেটা এখন ডিপ ফ্রিজে ঢুকে গেছে। বিএনপির সাংগঠনিক কাজে সরকারি বাধার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির কোথাও কোন সভায় পুলিশ বাধা দেয়নি। সবখানে তারা সভার অনুমতি পেয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ বিএনপির কল্পিত। উপজেলায় বিদ্রোহী ও তাদের সমর্থনকারীদের শাস্তি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কোনও সাংগঠনিক ব্যবস্থা তা যত কঠিনই হোক না কেন, আমরা প্রথমে কারণ দর্শাতে বলি।

তিন সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শাতে হবে, কেন আপনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না। সহযোগীদের মধ্যে যারা বিদ্রোহে ছিল বা সহায়তা করেছে, তাদের ব্যাপারেও সংশ্লিষ্ট সংগঠন থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম কামাল হোসেন প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Rose
২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ২:০৭

ধন্যবাদ

অন্যান্য খবর