× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ আগস্ট ২০১৯, রবিবার

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট বিভাগের ছুটি বাতিল

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৯:৩১
ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের র‌্যালি

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোধে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশা নিধন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কাজকে আরো গতিশীল করতে ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট বিভাগের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হলো । গতকাল সকালে ডিএনসিসির উদ্যোগে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের বাহক এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে এক সচেতনতামূলক র‍্যালি  অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালিটি জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে খামারবাড়ি বঙ্গবন্ধু চত্বর ঘুরে আবার জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সংসদ সদস্য সাদেক খান, পংকজ দেবনাথ ও আসলামুল হক অংশ নেন। এছাড়া ডিএনসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেতৃত্বে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড বহন করে স্কাউটের সদস্য, বিভিন্ন সোসাইটি ও সামাজিক সংগঠন জাতীয় সংসদের সামনে একত্রিত হন।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বাসা বাড়ির বাইরের মশক নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসি সব ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছে। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের বাহক এডিস মশা তিন দিনের বেশি জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে বংশবিস্তার করতে পারে। এ কারণে এডিস মশার বংশবিস্তারের সকল উৎস নষ্ট করলেই ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে মুক্ত থাকা যাবে।
তিনি জানান, ডিএনসিসির মশককর্মীগণ ঘরের বাইরে খোলা জায়গায় মশার উৎসগুলো ধ্বংস করতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। তবে, বাসার ভিতরে এবং আশেপাশের এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আমাদের প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে।
প্রতিটি বাসায় বসবাসকারীগণকে স্ব-উদ্যোগী হয়ে এডিস মশার উৎস নির্মূল করতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বর্তমান সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ ব্যাপক হারে বেড়েছে। ডেঙ্গু রোগ বহনকারী এডিস মশা নিধনে সরকারের সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, ২০০০ সালের প্রথম দিক থেকেই এ রোগের সঙ্গে আমাদের পরিচয় ঘটে। গত বছরের আগ পর্যন্ত এ রোগ নিয়ে আমরা তেমন একটা চিন্তিত ছিলাম না। কিন্তু এবার এটি একটি বড় চিন্তার বিষয়। বৃষ্টিতে কোথাও পানি জমে থাকলে এই মশা সহজে বিস্তার লাভ করে।
র‌্যালিতে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, ডিএনসিসির কাউন্সিলর, লেখক, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান, সাবেক ফুটবলার আসলাম, চিত্রনায়িকা অরুনা বিশ্বাসসহ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের তারকাগণ অংশগ্রহণ করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর