× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার

নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন স্মরণে নানা আয়োজন

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর থেকে | ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৯:৪২

 প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীকে গাজীপুরের পিরুজালী গ্রামে নুহাশ পল্লীতে নানা আয়োজনে তাকে স্মরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে নুহাশ পল্লীতে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল সকালে নুহাশ পল্লীতে জনপ্রিয় এ লেখকের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তার ছোট ভাই আহসান হাবীব, তার স্ত্রী আফরোজা আমিন, বোন সুফিয়া হায়দার, রোকসানা আহমেদ, শ্বশুর মোহাম্মদ আলী ও অন্য স্বজনরা। এ সময় ফুল দিয়ে নুহাশ পল্লীর কর্মীরাও হুমায়ূন আহমেদকে শ্রদ্ধা জানান। পরে সবাই কবর জিয়ারত ও দোয়া করে হুমায়ূনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এবারই প্রথম প্রয়াত লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন এবং তার দুই ছেলে নিশান ও নিনিদ দেশের বাইরে থাকায় নুহাশ পল্লীর মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেনি।
সকাল থেকে হুমায়ূন পরিবার, তার ভক্ত, কবি, লেখক আর নাট্যজনদের ভিড় নুহাশ পল্লীর লিচু তলায়। ফুল দিয়ে গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় স্মরণ করছেন জনপ্রিয় এ লেখককে।
লেখক হুমায়ূন আহমেদের ছোটভাই আহসান হাবিব জানান, হুমায়ূন আহমেদের সকল স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
তবে তার অনেক স্বপ্নই বাস্তবায়িত হয়েছে। ক্যানসার হাসপাতাল নির্মাণসহ অনেক স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। তিনি প্রকাশক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি হুমায়ূন আহমেদের লেখাগুলো নির্ভুলভাবে প্রকাশের অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন, হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে পারিবারিকভাবে একটি মিউজিয়াম স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। তাকে নিয়ে একটি আর্কাইভ নির্মাণ করা হয়েছে। অনেকে হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে গবেষণা করছেন। এ আর্কাইভ গবেষণা কাজে সহায়তা করবে। ক্যানসার নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে ২০১২ সালে ১৯শে জুলাই মারা যান নন্দিত এ কথাসাহিত্যিক।
২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেন হুমায়ূন আহমেদ। দিবসটি উপলক্ষে কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের পক্ষ থেকে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
হিমু পরিবহনের সভাপতি মো. আসলাম হোসেন জানান, সকালে ঢাকা, ফরিদপুর, নরসিংদী ও গাজীপুর থেকে ৬০ জন হিমু নুহাশ পল্লীর কর্মসূচিতে যোগ দেন। হিমুরা একযোগে ৪০ জেলায় তাদের প্রিয় লেখকের স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করছেন। তার মধ্যে বৃক্ষরোপণ, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও বইমেলা রয়েছে। হিমুদের উদ্যোগে ইতিমধ্যে ১০ জেলায় পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে। তরুণরা হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্ট জনপ্রিয় চরিত্র ‘হিমু’র বেশভূষায় হলুদ পাঞ্জাবি পরেছিলেন। আর তরুণীদের পরণে ছিল নীল শাড়ি।
নুহাশ পল্লীর ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, দিনটি উপলক্ষে সকাল থেকে কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এলাকার বিভিন্ন মাদ্রাসার এতিম শিশু ছাড়াও অতিথিদের দুপুরের খাওয়ার আয়োজন করা হয়। হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ই নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম কাজল। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা আর মা ছিলেন গৃহিণী। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড়।



অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর