× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার

‘দুদক বেশিরভাগ চুনোপুঁটিদের নিয়েই অনুসন্ধান করে’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ২:০৪

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দুদক বেশিরভাগই চুনোপুঁটিদের নিয়ে কাজ করে। রাগব বোয়ালদের নিয়ে কাজ করতে সমস্যা হয়। আর যাদেরকে ধরা হয় তাদের ৬০ থেকে ৭০ ভাগই চুনোপুঁটি। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘দুর্নীতি দমনে আইনজীবী ও বিচার বিভাগের ভূমিকা শীর্ষক’ এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ছোট গাছ উপরানো যতটা সহজ, বট গাছ উপরানো ততটা সহজ নয়। তবে আমরা যে বড়দের ধরছি না বিষয়টি এমন না।  বর্তমানে সরকারি দলের প্রায় ১৫জন এমপি মন্ত্রী আমাদের অনুসন্ধানে রয়েছে। তাছাড়া অন্য দুইদলের প্রায় ৩৭জন এবং আমলাদের মধ্যে প্রায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অনুসন্ধান চালাচ্ছি।

দুদকের চেয়ারম্যান আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের এখান থেকে তথ্য পাচার হয়।
কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলেই কিভাবে যেন সেই তথ্য অপরাধীর কাছে চলে যায়। তথ্য পাচার রোধ করার জন্য আমরা অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। কর্মকর্তাদের মোবাইল ট্র্যাক থেকে শুরু করে আমরা সকল ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছি। তারপর সেটা রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাবে আমাদের চেষ্ঠার কমতি নেই।

দুর্নীতি রোধ করার ব্যাপারে তিনি আরো বলেন , এ ক্ষেত্রে পরিবারের  ভূমিকা অনেক বেশী। নিজের সন্তানদের মূলবোধের শিক্ষা দিতে হবে। তাহলেই দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব। আমাদের বড় সমস্যা হচ্ছে আমরা যা বিশ্বাস করি, তা করি না। আবার যা করি তা বলি না। এই জায়গা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।

হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) আয়োজিত এই সেমিনারে সংস্থার প্রেসিডেন্ট এডভোকেট মনজিল মোরসেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি ব্যারিষ্টার এম. আমীর-উল-ইসলাম, বিচারপতি মো. নিজামুল হক এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু এমপি। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যারিষ্টার হাসান এম এস আজিম।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মোঃ হাফিজুর রহমান
২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৭:৩৭

অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভ কামনা মাননীয় দুদক চেয়ারম্যান সাহেব কে।বাংলাদেশের কোটি জনতা সেই দিনের অপেক্ষা করছে যেদিন রাঘব বোয়ালদের অনৈতিক সম্পদের ন্যায্য হিস্যা সুদে আসলে বুঝে পাবে ।

Ibrahim
২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৮:৩৬

why government wasting our money for this department. they are all useless and corrupted like Bangladesh police

SM Rafiqul Islam
২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৫:০২

Mr.Chairman you have said the trouth.But what is your duty.

SM Rafiqul Islam
২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৪:৫০

We want corruption free Country.ACC Chairman has taken the responsibility.We wants vissable work in this field.But we do not see any progress except spece in the seminer & workshop

Rose
২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ২:০৬

এটাই সত্য । তাই বলে এদের বাঁচানো র জন্য ই কি সরকারি কর্মকর্তাদের ছোট অপরাধ অপরাধ নয় বলেছেন ? বোয়াল ধরলেই ইনকাম কমবে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসবে তাই ধরা হয় না?

অন্যান্য খবর