× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার

সাধারণ বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ওয়াশিংটন গেলেন ইমরান খান

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, ১০:৪৫

তিনি ইমরান খান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথমবার সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রের গেলেন। তবে রাষ্ট্রপ্রধানরা এমন সফরে যেমন প্রাইভেট বিমান ব্যবহার করেন, তিনি তা করলেন না। তিনি একটি সাধারণ বাণিজ্যিক ফ্লাইটে করেই সেখানে সফর করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে তিনি কোনো বিলাসবহুল হোটেলে উঠার পরিবর্তে সেখানে নিজদেশের রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে উঠার পরিকল্পনা নিয়েছেন। এসবই করছেন ইমরান খান তার খরচ কমানোর নীতি থেকে। পাকিস্তানের অর্থনীতি কঠিন সময় পার করছে।
তাই তিনি ‘খরচ কমাও’ নীতি গ্রহণ করেছেন। তিনি খরচের খাতকে নিম্নতম অবস্থানে রাখতে চান। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জি নিউজ ও ডন।

শনিবার কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে করে ওয়াশিংটনে পৌঁছান ইমরান। পাকিস্তানি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, যাত্রাপথে দোহা’য় বিরতির সময়ে তাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন কাতার এয়ারওয়েজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আকবার আল বাকের। যাত্রায় তার সঙ্গী ছিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কমর জাভেদ বাজওয়া ও আইএসআই’র মহাপরিচালক। তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে কাতার থেকে ইমরান ওয়াশিংটনগামী ফ্লাইটে আরোহণ করেন। তবে তিনি ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে থাকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসগুলোতে বড় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে থাকায় তাকে তারা যথোপযুক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবেন কিনা তা নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে সন্দেহ। এ নিয়ে রাতে তারা বৈঠক করেছেন। এ কর্মকাণ্ডে স্থানীয় প্রশাসনকে পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে।

পাকিস্তান সরকার বলছে, পুরো এই সফরে খরচ অনেক কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ খাতে মোট খরচ হতে পারে ৬০ হাজার ডলার। সরকারের মতে, ইমরান খানের পূর্ববর্তী সরকার প্রধানরা এমন সফরে যে পরিমাণ অর্থ খরচ করেছেন এই অর্থ তার চেয়ে অনেকটাই কম। আগামীকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে ইমরানের। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কে যে টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছে, তা মিটমাট করে একটি সুন্দর সমাধানে আসতে পারবে দুই দেশ- এমনটা আশা করা হচ্ছে। পাকিস্তান সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে, এ অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে তুলে দেশটির কড়া সমালোচনা করে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আর তাই ইমরানের সফরের দু’একদিন আগে আন্তর্জাতিকভাবে ঘোষিত সন্ত্রাসী হাফিজ সাঈদকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তান। এর মধ্য দিয়ে ইমরান খান সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো বোঝাতে চাইছে, তারা সন্ত্রাসীদের পক্ষে নেই। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই গ্রেপ্তার লোক দেখানো।

উল্লেখ্য, গত বছরের শুরুর দিকে থেকেই পাকিস্তানকে নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই সফরের পরতা ফের চালু করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। ইমরান তার সফরে ট্রাম্পের পাশাপাশি মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মনুচিন, বাণিজ্যমন্ত্রী উয়িলবার রস, জ্বালানিমন্ত্রী রিক পেরি, ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড ¯েপন্সারের সঙ্গেও আলোচনা করবেন ইমরান খান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর