× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার

পুলিশকে কল দেয়ায় খুন সুমন

অনলাইন

শাহনেওয়াজ বাবলু | ২২ জুলাই ২০১৯, সোমবার, ১১:৩১

‘তুই স্যারকে কল দিলি কেন? তুকে কে বলছে কল দিতে। তোর এক কলেই আমাগোর সব ব্যবসা বন্ধ হওয়ার পথে’ এই কথা বলেই সুমনকে এলোপাতারি কোপানো শুরু করে শাহিন ওরফে বল্লা শাহিন। এ সময় সুমনকে আটকে রাখে ফুটা আলমগীর ও মাসুম। এ পর্যায়ে সুমন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মারা যায় সুমন। গত ১৩ই জুন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মিরপুরের কালভার্ট এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় পরের দিন নিহতের বাবা মফিজ মিয়া মিরপুর মডেল থানায় চার জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো কয়েকজনকে অজ্ঞাত করে একটি মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনায় এজহারভুক্ত আসামী হিজবুল্লাহ নুর আকাশ, বল্লা শাহিন (৩০), মাসুম হাওলাদার (৩৩), আবদুল মজিদসহ (২৮) সহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে মিরপুর থানা পুলিশ।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুমন মিয়া শেওড়াপাড়ায় ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রির কাজ করতো। সে তার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। এক সময় সুমন ও বল্লা শাহিন এক সঙ্গে চলাফেরা করত। একদিন বল্লা শাহিন সুমনকে তার সঙ্গে মাদক ব্যবসা করার প্রস্তাব দেয়। এতে সুমন রাজি না হয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। এর কদিন পর সুমন ও তার বন্ধু সোহেল মোল্লা রাত ৮টার দিকে মিরপুরের কালভার্ট এলাকায় পিঠা খাওয়ার জন্য গেলে বল্লা শাহিন ও তার লোকজন তাদের পথরোধ করে। এক পর্যায়ে চাকু দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে সুমনকে। এতে সোহেল বাধা দিলে তাকেও গুপিয়ে জখম করে বল্লা শাহিনের লোকজন। পরে সুমনকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা মফিজ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমি অসুস্থ মানুষ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিল আমার ছেলে সুমন। তার উপার্জনেই আমাদের সংসার চলত। আর আমার এই নিরপরাধ ছেলেটাইকে তারা খুন করেছে। আমি সরকার এবং দেশবাসীর কাছে আমার ছেলের খুনের বিচার চাই।   

সার্বিক বিষয় জানতে চাইলে মিরপুর জোনের সহকারী কমিশনার খায়রুল আমিন মানবজমিনকে বলেন, বল্লা শাহিন তার সহযোগীরা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ছিল। তাদের প্রত্যেকের নামে বিভিন্ন থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এই ঘটনায় আমরা মোট সাতজনতে গ্রেপ্তার করেছি। সবাই আদালতে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। এই ঘটনায় আরো কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে জানা গেছে। আশা করছি তারাও শিগগিরি গ্রেপ্তার হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর