× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার

‘আমি তাদের মতো না’

বিনোদন

এন আই বুলবুল | ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:০২

আমাদের অভিনয় শিল্পীদের বেশকিছু সমস্যা দিন দিন বাড়ছে।  সেসবের মধ্যে একটি হলো কল টাইম। অনেক সময় আমাদের মধ্যরাত পর্যন্ত শুটিং  করতে হয়। যার কারণে পরের দিন আবার সঠিক সময়ে স্পটে পৌঁছা যায় না। আমি নিজ উদ্যোগে এই ধরনের সমস্যাগুলো সমাধান করতে চাই। কথাগুলো বললেন অভিনয় শিল্পী সংঘের কার্যনির্বাহী সদস্য ও অভিনেত্রী নাদিয়া আহমেদ। তার ভাষ্য, নির্মাতা ও একজন শিল্পী একে-অপরের পরিপূরক। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় ছোট ছোট কিছু বিষয়ের কারণে তাদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় শিল্পীদের সম্মানী নিয়েও জটিলতা থাকে।
একজন শিল্পী হিসেবে আমি অন্য শিল্পীদের এই বিষয়টি অনুধাবন করতে পারি। তাই আমি চেষ্টা করবো শিল্পীদের স্বার্থে কাজ করতে। গেল ২১শে জুন অভিনয় শিল্পী সংঘের নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্যপদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন এই অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর পাশাপাশি নেত্রী হিসেবেও সবার কাছে দারুণ গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন তিনি। এদিকে এই অভিনেত্রী বর্তমানে ঈদের নাটকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এরইমধ্যে আসছে ঈদের জন্য এস এম শাহীনের ‘মফিজের লাইফস্টাইল’, এফ জামান তাপসের ‘এক মিলিয়ন ভিউ’, অঞ্জন আইচের ‘উট কুমার’ ও ফরিদুল হাসানের  সাত পর্বের ‘জামাই হাজির’সহ বেশ কিছু নাটকের শুটিং শেষ করেন। ঈদের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে এই অভিনেত্রী বলেন, আমি সব সময় অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আমাদের অনেক শিল্পী আছেন শুধু বিশেষ দিবসে কাজ করেন। আমি তাদের মতো না। বছরের সব সময় ভালো ভালো কাজ দিয়ে দর্শকের সঙ্গে থাকতে চাই। ঈদের শুটিং নিয়ে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যস্ত থাকবো। ঈদের নাটকের বাইরে একাধিক ধারাবাহিকেও আছে এই অভিনেত্রীর ব্যস্ততা। উল্লেখযোগ্য ধারাবাহিকগুলো হলো- মিজানুর রহমান আরিয়ানের ‘গল্পগুলো আমাদের’, ডিকে আকাশের ‘ক্যাট হাউজ’, জাবির রাসেলের ‘বিড়ম্বনা’, তুষার খানের ‘বহে সমান্তরাল’, ফজলুর রহমানের ‘উল্টো পথে উল্টো রথে’, অঞ্জন আইচের ‘অর্ধেক সত্য’ ও জুয়েল শরীফের ‘বড় বাড়ি’। অভিনয়ের বাইরে এই অভিনেত্রী নাচেও দারুণ সমাদৃত। একটা সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনে নিয়মিত নাচের অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যেত। এখনো নাচ নিয়ে ব্যস্ত তিনি। তবে বর্তমানে টেলিভিশনের নাচের অনুষ্ঠানগুলো নিয়ে তার ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভ কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এই সময়ে অনেক টিভি চ্যানেল নাচের মূল ধারার শিল্পীদের দিয়ে অনুষ্ঠান করে না। প্রায় চ্যানেলের প্রযোজকদের কাছে শুনতে হয় নাচের অনুষ্ঠানের জন্য বাজেট নেই। অথচ যেকোনো অনুষ্ঠান বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শুরু হয় নাচ দিয়েই। আবার শেষও হয় নাচের মধ্য দিয়ে। সত্যি বলতে কী, টিভি চ্যানেলগুলো নাচের শিল্পীদের যথাযথ মূল্যায়ন করে না। এদিকে নাদিয়া সম্প্রতি নামের সঙ্গে যোগ করেছেন বিচারক পরিচয়টি। জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। আবার এরই মধ্যে আরটিভি’র আয়োজনে শুরু হওয়া ‘ক্যাম্পাস স্টার’-এও বিচারক হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। দু’টি অনুষ্ঠানের বিচারক হওয়া প্রসঙ্গে এই অভিনেত্রী বলেন, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমার একটি কথাই বারবার মনে হয়েছে। আর তা হলো বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খুব কঠিন। কারণ আমাদের একটু ভুল বিচারের কারণে সত্যিকার অর্থেও মেধাবী কেউ বাদ পড়ে যেতে পারে। বিচারক না হলে এটি হয়তো জানা হতো না। আমি আমার কাজে সব সময়ই শতভাগ সৎ থেকে দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর