× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার
ফল ঘোষণা আজই

বরিস জনসনই কি তবে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন!

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার, ১০:১৫

কয়েক ঘন্টা বাকি। এরপরই নিশ্চিত হয়ে যাবে কে হচ্ছেন বৃটেনে নতুন প্রধানমন্ত্রী। লন্ডনের সাবেক মেয়র, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন অথবা বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট- এই দুই প্রার্থীর মধ্যে একজন হবেন ক্ষমতাসীন কনজার্ভেটিভ পার্টির প্রধান। একই সঙ্গে দলীয় প্রধানই পাবেন প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা। সেই হিসেবে, জনমত জরিপ ও অন্যান্য হিসাব বলছে, ক্ষমতার দৌড়ে জেরেমি হান্টকে অনেকটাই পিছনে ফেলবেন বরিস জনসন। যদি এটা সত্য হয় তাহলে আগামীকাল বুধবার বিজয়ী প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। বরিস জনসন প্রধানমন্ত্রী হলে বর্তমান মন্ত্রীপরিষদের অনেক সিনিয়র নেতা তার সঙ্গে কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অর্থমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড।
এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি, স্কাই নিউজ।

সোমবার কনজার্ভেটিভ দলের এক লাখ ৬০ হাজার সদস্য দলীয় প্রধান নির্বাচনে ভোট দেন। আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে ওয়েস্টমিনস্টারের কিউই-২ তে নির্বাচনের ফল ঘোষণার কথা রয়েছে। এর আগে রাতভর ভোট গণনা করা হয়। স্কাই নিউজ লিখেছে, এ নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী, নিশ্চিতভাবে তিনি বরিস জনসনÑ ফল ঘোষণার পরে বিজয়ী বক্তব্য রাখবেন। ওদিকে আগামীকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরে শেষ দফায় অংশ নেবেন বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। সেখান থেকে তিনি ছুটে যাবেন বাকিংহাম রাজপ্রাসাদে। রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। তেরেসা মের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পর কনজার্ভেটিভ দলের নতুন নেতার সঙ্গে সাক্ষাত করবেন রাণী এলিজাবেথ এবং তাকে নতুন সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, নতুন প্রধানমন্ত্রী তার জন্য নির্ধারিত ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বাড়িতে প্রবেশ করার আগে বক্তব্য রাখবেন। বৃহস্পতিবার মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের নিয়োগ সম্পন্ন করবেন। শুক্রবারও মন্ত্রীপরিষদে রদবদল হতে পারে।

বিবিসি লিখেছে, এই নির্বাচনে লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন সুস্পষ্ট জনপ্রিয় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রী হলে দলের বেশ কিছু সিনিয়র সদস্য তার অধীনে কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। ব্রেক্সিট নীতি নিয়ে নিজ দলের এমপিদের বিদ্রোহের ফলে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। তিনি মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রীপরিষদের সঙ্গে সর্বশেষ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। ওদিকে ওয়েস্টমিনস্টারে এমন একটি আবহ ছড়িয়ে পড়েছে যে, বরিস জনসনের নামই ঘোষণা করা হবে বিজয়ী হিসেবে। তিনি লন্ডনের মেয়র থেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে। কিন্তু অনেক বছর ধরে তিনি রাজনীতি করছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর