× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার

মমতার বিষ্ফোরক মন্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে বাংলাদেশের মশা

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ২ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ১১:০৩

ঢাকার মেয়র যখন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র ও স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদ অতীন ঘোঘের কাছে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা চেয়েছেন ঠিক তখনই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে  ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার পিছনে বাংলাদেশের মশাদের সক্রিয় ভূমিকা থাকতে পারে। সীমান্ত এলাকায় মশা ও-পার থেকে এ-পারে আসে, এ-পার থেকে ও-পারে যায়। দু’পারেই অনেক লোকও যাতায়াত করেন। সব মিলিয়ে তাই ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রবণতা বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

সীমান্তবর্তী উত্তর ২৪ পরগণা জেলার হাবড়ায় ইতিমধ্যেই ডেঙ্গু ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।  মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশে খুব ডেঙ্গু হচ্ছে। তাই বাড়তি সাবধানতা নিতে হবে বলে সকলকে সতর্ক করে দিয়েছেন। সীমান্ত এলাকায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের উপর তিনি বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন। অবশ্য পশ্চিমবঙ্গে  ইতিমধ্যেই ৭০০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।
তার মধ্যে সব থেকে বেশি রোগী পাওয়া গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী এলাকা হাবড়ায়। জেলার সরকারি হিসেব অনুযায়ী, প্রায় ৫০ -৬০ শতাংশ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়া গিয়েছে সেখানে। জেলার ব্যারাকপুরে ৫৬, অশোকনগর-কল্যাণগড়ে ৫৬, ভাটপাড়ায় ৩৮, বিধাননগরে ৩০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। জেলার টিটাগড় ৫৩, পানিহাটিতে ৪০ এবং খড়দায় ৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গিয়েছে। কলকাতাতেও কয়েকজন ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত কলকাতায় মৃত্যুর কোনও খবর নেই বলে পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md.Mohiuddin Monsi
২ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ৭:০৭

মমতা! এতো আপনাদের ব্যর্থতা । ভিসা ছাড়া বাংলাদেশী মশা ভারতে ঢুকছে ! বি এস এফ এর বন্দুকের ধার কি কমে গেছে ?

জাফর আহমেদ
২ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ২:৩৭

অতিরিক্ত কথা বলার ফলে যাহা হয়। কলকাতার মশা কামড়ায় না। নাকি বংশ বিস্তার করতে পারে না। মনে হয় উনি কলকাতার মশাদের জম্ম নিয়ন্ত্রণে টেবলেট খাইয়ে রেখেছেন।

রিপন
২ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ৩:০৬

ঝাঁকে ঝাঁকে আরও আসছে এডিস মশাইরা। পারলে ঠেকাও। বানের জল হড়হড় করে ছেড়ে দিয়েছো। সেই বানভাসি জলা জংলা ঝোপঝাড়ে জন্ম নিয়েই পালে পালে ছুটছে এখন। ওপার থেকে ছাড়বে বানের জল, এপার থেকে ছুটবে এডিস মশাইর দল। এই এপার ওপার এস্পার ওস্পার আর কি! পারলে ঠেকাও।

Ansari
২ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ১২:০৬

মমতা, এতো আপনাদের ব্যর্থতা । ভিসা ছাড়া বাংলাদেশী মশা ভারতে ঢুকছে ! বি এস এফ এর বন্দুকের ধার কি কমে গেছে ?

ওসিতাদ গিরগির খাঁ
১ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১০:৫১

উত্তরে মশা যেমন দক্ষিণে যেতে পারে তেমন সীমান্ত পার হয়ে ডেঙ্গু মশা ওপারে যেতেই পারে। উনি তো যথা উপযুক্ত কথায় বলেছেন। উনি যদি বলতেন, এটা গুজব বা বিজেবি শিব সেনাদের ষড়যন্ত্র তাহলে না হয় অন্য কথা।

অন্যান্য খবর