× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার

‘বিজেপির ব্যাচেলরদের কাশ্মীর গিয়ে বিয়ে করা উচিত’

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৭ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ১:১২

বিজেপির অবিবাহিতরা বা ব্যাচেলররা এখন কাশ্মীর যেতে পারবেন। সেখানে জমি কিনতে পারবেন। বিয়ে করতে পারবেন। এ কথা বলেছেন বিজেপি দলীয় বিধায়ক বিক্রম সাইনি। ভারত সরকার কাশ্মীরকে দেয়া ৩৭০ ধারার অধীনে বিশেষ মর্যাদা বাতিল করেছে ওই ধারা বাতিলের মাধ্যমে। এরপর মুজাফ্ফরনগরে খাতাউলিতে এক জনসমাবেশে বক্তব্য রাখছিলেন বিক্রম সাইনি। তিনি সেখানে বলেন, ভারতের মুসলিমদের খুশি হওয়া উচিত এ জন্য যে, তারা এখন কোনো ভীতি ছাড়াই কাশ্মীরি মেয়েদের বিয়ে করতে পারবেন। তার ভাষায় ‘আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছেন মোদিজি।
দেখে মনে হচ্ছে পুরো দেশবাসী তাদের আনন্দ প্রকাশ করতে ড্রাম বাজাচ্ছে। বিজেপির সব ব্যাচেলর, যারা বিয়ে করতে উন্মুখ হয়ে আছেন, তাদের উচিত কাশ্মীর গিয়ে বিয়ে করা। এতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। বিজেপির মুসলিম নেতাকর্মীদের খুশি হওয়া উচিত এ জন্য যে, তারা এখন কাশ্মীরি সুন্দরী মেয়েদের বিয়ে করতে পারবেন।’

সূত্রমতে, খাতাউলিতে বড় রকমের এক নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। তাতে অংশ নিয়েছিলেন বিজেপির শতাধিক নেতাকর্মী। তারা অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিল করায় কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে সেলিব্রেট করেছেন। সেখানে বক্তব্য রাখেন বিক্রম সাইনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সেই কাজটি করেছেন, যা করতে চেয়েছিলেন সরদার প্যাটেল। তাই এখন কেউই তাদেরকে আর ক্ষমতা থেকে নামাতে পারবে না।

উল্লেখ্য, বিতর্কিত মন্তব্য করার কারণে মাঝে মাঝেই বিক্রম সাইনি সংবাদ শিরোনাম হন। ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রস্তাব করেন নিজের সঙ্গে পারমাণবিক বোমা নিয়ে পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য এবং প্রতিবেশী ওই দেশটিকে ধ্বংস করে দিতে। এর একমাস আগে জানুয়ারিতে তিনি বলেন, যারা ভারতের বসবাস করতে অনিরাপদ মনে করেন তারা জাতীয়তাবিরোধী। তারা ভারতে বসবাসের অধিকার রাখেন না। আমাকে একটি মন্ত্রণালয় দিন। আমি তাদেরকে বোমা মারব।

গত বছর ফেব্রুয়ারিতে তিনি এক জনসভায় বলেন, আমি আমার স্ত্রীকে বলেছি আরও সন্তান ধারণ করতে, যদিও সে আমাকে বলেছে দুটি সন্তানই যথেষ্ট। এর আগে তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায় ও নতুন বর্ষ উদযাপন নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নতুন বর্ষ উদযাপন হিন্দুদের কোনো উৎসব নয়। এটা হলো খ্রিস্টানদের অনুষ্ঠান। এটা পরিহার করা উচিত।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর