× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার
বিএম কলেজের ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু

ওসিসহ ২ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল থেকে | ৯ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ৯:৩৬

বরিশাল সরকারি বিএম কলেজের ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ ২ পুলিশ কর্মকর্তাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে। কলেজছাত্র মিলি ইসলামের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের প্রেক্ষিতে তাদের সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ হেডকোয়ার্টার। ওসি মাহাবুব উল ইসলামকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরকে ট্যুরিস্ট পুলিশে  সংযুক্ত করা হয়েছে। আগামী ১৫ই আগস্টের মধ্যে তাদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। জানা গেছে, ৩রা মে নগরীর ফিশারি রোড এলাকার একটি বাসা থেকে বিএম কলেজের মাস্টার্সের ছাত্রী মিলি ইসলামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় কলেজছাত্রীর স্বজনদের না পাওয়ায় বাড়ি মালিকের ছেলে বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেন। পরে কলেজছাত্রীর স্বজনেরা এসে মৃত্যুর ঘটনাটিকে হত্যা দাবি করে প্রেমিক স্কুলশিক্ষক পুলিন চন্দ্রকে অভিযুক্ত করে। এই ঘটনায় শিক্ষককে আসামি করে কলেজছাত্রীর পরিবার একটি হত্যা মামলা করতেও উদ্যোগী হয়।
কিন্তু একটি ঘটনায় দুটি মামলা নথিভুক্তের সুযোগ না থাকায় পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। তবে এ সময় পুলিশের পক্ষ থেকে তাদেরকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে একটি মামলার পরামর্শ দেয়া হলেও তাতে অস্বীকৃতি জানায় মিলির স্বজনেরা। পরে তারা বরিশাল আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন। সেই মামলাটি আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) তদন্তাধীন রয়েছে। এরই মধ্যে বরিশাল নগরীর সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গণিত বিষয়ের শিক্ষক পুলিনকে তার বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করে বিমানবন্দর পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হলে দুই মাস কারাবাসের পরে তিনি মুক্তি পান। এদিকে কলেজছাত্রীর এক স্বজন গোয়েন্দা সংস্থায় (ডিজিএফআই) পুরো বিষয়টি অভিযোগ আকারে তুলে ধরে। সেই অভিযোগটি তদন্ত করে সামপ্রতিককালে পুলিশ হেডকোর্টার্সে প্রতিবেদন প্রেরণ করে সংস্থাটি। ওই প্রতিবেদনে বাহিনীটি মামলাটির তদন্ত নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শাস্তি দাবিও করেছে। ওই তদন্ত প্রতিবেদনের পরই ২ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র সহকারী কমিশনার (এসি) নাসির উদ্দিন মল্লিক বলেছেন, ‘বিএম কলেজ ছাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি গোয়েন্দা সংস্থা রিপোর্ট দেয়। সেই রিপোর্টের আলোকে ওসি ও একজন এসআইকে থানা থেকে সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর