× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার

অবরুদ্ধ কাশ্মীর ছাড়ছেন শ্রমিকরা

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ৯:৩৮

নিরাপত্তার কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়া কাশ্মীর ছেড়ে পালাচ্ছে বিভিন্ন স্থান থেকে সেখানে যাওয়া শ্রমিকরা। দীর্ঘ যাত্রায় তাদেরকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব শ্রমিক কাজের সন্ধানে কাশ্মীর গিয়েছিলেন। বুধবারও বিভিন্ন স্টেশনে তাদেরকে ভিড় করতে দেখা গেছে। তারা বিছানার চাদরে সবকিছু বেঁধে তা মাথায় নিয়েছেন। কারো বা বাহুতে ঝোলানো এসব। তারা ঠিকমতো খাবার পাচ্ছেন না। তাদের একজন জগদীশ মাথুর।
তিনি বলেছেন, গত চারদিন ধরে ঠিকমতো খাবার পাই না। বিহারের একটি গ্রামে তার বাড়ি। সেখানে যেতে হলে ট্রেনের টিকিট প্রয়োজন। কিন্তু এই টিকিট কিনতে যে অর্থের প্রয়োজন তা তার কাছে নেই।  মহাসড়কে মাইলের পর মাইল এভাবে হেঁটে বাড়ি ফিরছেন বহু শ্রমিক। তাদেরকে দেখা যাচ্ছে কখনো সেনাবাহিনীর ট্রাকে বা বাসে। বার্তা সংস্থা এপিকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন।
এতে বলা হয়েছে, ভারতের সিদ্ধান্তে লাদাখে বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। চতুর্থ দিনের মতো ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে আছে বৃহস্পতিবারও। এ অবস্থায় কাশ্মীরে কাজের উদ্দেশে যাওয়া শত শত শ্রমিক পালানো শুরু করেছে। তারা উত্তর প্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডের মতো রাজ্যগুলো থেকে সেখানে কাজের সন্ধানে গিয়েছিলেন। তাদের অনেকে বুধবার অভিযোগ করেছেন, জম্মু-কাশ্মীর সফরে বিধিনিষেধ আরোপ করার পর কাশ্মীরে তাদেরকে যারা কাজে নিয়েছিলেন তারা তাদের মজুরি বন্ধ করে দিয়েছেন। তাদেরকে কাজ বন্ধ করে বাড়ি চলে যেতে বলেছেন।
বুধবার জম্মুর বিভিন্ন রেলস্টেশনে এমন শ্রমিকের ভিড় দেখা গেছে। তারা বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেনের অপেক্ষায় ছিলেন। এমন আরেকজন শ্রমিক সুতার সুরজিৎ সিং। তিনি নয়াদিল্লি টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেছেন, কাশ্মীর নিরাপত্তার কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। তাই তিনি বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। প্রতি বছরই ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে কাজের সন্ধানে কাশ্মীরে ভিড় করেন হাজার হাজার মানুষ। তারা সেখানে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। সুতারের কাজ করেন। কেউবা কৃষিকাজে যুক্ত থাকেন। যখনই নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়, তখন তারা বাড়ি ফিরে যান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর