× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার

ভারতের সঙ্গে সকল ধরনের সাংস্কৃতিক বিনিময় নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ১০ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ৮:০৪

ভারত-বিরোধী প্রচারণায় নেমেছে পাকিস্তানের তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয়। বৃহসপতিবার থেকে ‘ভারতকে না বল’ স্লোগান চালু করেছে। পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে সকল প্রকার সাংস্কৃতিক বিনিময় নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। দুই দেশের বিনোদন শিল্পের মধ্যে সকল প্রকার যৌথ প্রযোজনার কাজ স্থগিত করে দেয়া হয়েছে। তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয়ের জন্য নিয়োজিত পাক-প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. ফিরদৌস আশিক আওয়ান বৃহসপতিবার এক ঘোষণায় এমনটা জানিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম দ্য ডন।
আওয়ানকে উদ্ধৃত করে ডন বলেছে, সকল ধরনের ভারতীয় কনটেন্ট বন্ধ রাখা হয়েছে ও পেমরা’কে (পাকিস্তান ইলেকট্রনিক মিডিয়া রেগুলেটরি অথরিটি) ভারতীয় ডিটিএইচ সরঞ্জাম বিক্রির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ জোরদার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সমপ্রতি ভারত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ার প্রতিক্রিয়ায়ই এসব পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে এক ঘোষণায় ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করার কথা জানায় ভারত সরকার।
ওই ধারায় বেশ খানিকটা স্বায়ত্তশাসন ও বিশেষ সুবিধা পেত ভারতশাসিত কাশ্মীর। কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিজেদের মতো করে রাজ্য পরিচালনা করতে পারতো তারা। কেবল প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র ও যোগাযোগ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত মানতে হতো। এ ছাড়া নিজেদের সংবিধান ও আলাদা পতাকাও ছিল কাশ্মীরের। তবে ৩৭০ ধারা রদ হওয়ায় এখন থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের শাসনেই চলবে কাশ্মীর। এদিকে, ৩৭০ ধারা রদ হওয়ার আগে কাশ্মীরে বহিরাগতরা জমি কিনতে পারতেন না। এখন থেকে যেকোনো ভারতীয়ই তা পারবে। ঘোষণার আগের দিন রাত থেকেই পুরো কাশ্মীর অবরুদ্ধ করে রেখেছে প্রায় ৪০ হাজার ভারতীয় সেনা। কাউকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না, বেরও হতে দেয়া হচ্ছে না। নিজেদের ঘরেই বন্দি অবস্থায় দিন পার করছেন তারা। বিবিসি জানিয়েছে, এমতাবস্থায়ও সেখানে বেশ কয়েকটি বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। আটক হয়েছে ৫ শতাধিক।
বৃহসপতিবার আওয়ান সংবাদ সম্মেলনে কাশ্মীর নিয়ে ভারতের ঘোষণার প্রসঙ্গে বলেন, এটা দুই মতাদর্শের লড়াই। একদিকে, আমরা আলোকিত ও প্রগতিশীল মতাদর্শের অনুসারী অন্যদিকে, চরমপন্থি ভারত সরকার তাদের কট্টর, সন্ত্রাসী, পাগলাটে ও মুসলিম-বিরোধী মতাদর্শ দেখিয়েছে।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রতারণা পাকিস্তানি তরুণদের মন কলুষিত করবে। পাকিস্তানের ভেতর অপপ্রচারের চিত্রায়ণ করা ভারতীয় কনটেন্ট সিমিত করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। এখন থেকে পাকিস্তান সকল স্তরে হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। এজন্য একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করেছে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর